স্টাফ রিপোর্টার, বহরমপুর: বাড়ির ভিত খুঁড়তে গিয়ে উদ্ধার কৃষ্ণের প্রাচীন মূর্তি। বড়ঞা থানার সাটিতাড়া গ্রামের বাসিন্দা দিনু শেখের বাড়ি থেকে এই মূর্তি উদ্ধার হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, ওই মূর্তিটি সম্ভবত মহারাজা শশাঙ্কের সময়কার। জানা গিয়েছে, বাড়ি তৈরি করবেন বলে ভিত খুঁড়ছিলেন দিনু শেখ।

শুক্রবার সকালেই মাটি খোঁড়া শুরু হয়। কিছুটা খোঁড়ার পরই মূর্তিটি নজরে পড়ে দিনু শেখের। খবরটি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ওই মূর্তি দেখতে ভিড় জমাতে শুরু করেন স্থানীয় লোকজন। এরপরই পুলিশ এসে মূর্তিটি উদ্ধার করে।

বড়ঞা থানার পক্ষ থেকে জেলার মিউজিয়ামের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। সেখানেই প্রাথমিকভাবে মূর্তিটিকে পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাচীন এই মূর্তিটি কষ্টিপাথরের তৈরি। তবে মূর্তিটির কোন সময়ের ও কী ধাতু দ্বারা নির্মিত তা জানতে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

বড়ঞা ব্লকের বিডিও সাগর ঘোষ জানিয়েছেন, ওই মূর্তিটি রাজা শশাঙ্কের আমলের। একটা সময় বড়ঞা থানার এই এলাকায় রাজা শশাঙ্ক রাজত্ব করতেন। মূর্তিটির মূল্য আনুমানিক কোটি টাকারও বেশি হতে পারে মনে করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।