কলকাতা- এবার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন কৃষ্ণকলি খ্যাত অভিনেতা নীল ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার সকালে নীলের রিপোর্ট পজিটিভ আসে বলে জানা যাচ্ছে টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন থেকে। জানা যাচ্ছে ধারাবাহিকের সেটে সমস্ত রকমের সাবধানতা মেনে চলছেন তিনি।

কিন্তু কিছুদিন আগে তার সহ-অভিনেতা ভিভান ঘোষ কোভিড ১৯ এ আক্রান্ত হন। তিনিও কৃষ্ণকলি সিরিয়ালে একটি চরিত্রে অভিনয় করেন। যেহেতু তাঁর সংস্পর্শে এসেছিলেন নীল, তাই সঙ্গে সঙ্গে তিনিও ৭ দিনের জন্য আইসোলেশনে চলে যান। এমনকি জানা যাচ্ছে এই কদিন তিনি শুটিং এ আসেননি। যেহেতু তাঁর কোনো উপসর্গ ছিল না বলে জানান তার চিকিৎসক, তাই পুনরায় শুটিংয়ে ফেরেন নীল।

নীল এই মুহুর্তে সম্পূর্ণ আইসোলেশন রয়েছেন। কিন্তু নিজের বাবা মাকে নিয়ে চিন্তিত অভিনেতা। কারণ বিগত কয়েক দিনে তিনি তার বাবা-মায়ের সংস্পর্শে এসেছেন।

নীল বলছেন, “গত পরশু থেকে আমি কোনো কিছুর গন্ধ অনুভব করা বা কোনো খাবারের স্বাদ বুঝতে পারছিলাম না। তখনই মনে হয় আমার বোধহয় এবার কোভিড ১৯ এর পরীক্ষা করা উচিত। সোমবার আমি পরীক্ষা করাই। আর আজ সেই রিপোর্ট আশায় জানতে পারি আমি পজিটিভ। তবে গন্ধ ও স্বাদের অনুভূতি হারানো ছাড়া আর কোনো উপসর্গ আমার মধ্যে নেই।”

সংবাদমাধ্যমের কাছে নীল বলছেন, “বাবা মায়ের পরীক্ষা খুব শীঘ্রই করাবো। আমি বাড়িতেই কোয়ারেন্টাইন করে রয়েছি।সত্যি বুঝতে পারছি না কিভাবে এই ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হলাম। ভিভানের সঙ্গে মাত্র দুটো দৃশ্য আমার অংশ ছিল।

তখনও জানতাম না ও করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। সেটাও প্রায় এক সপ্তাহ আগের কথা। আমি জানি না এখান থেকেই আমি সংক্রমিত হয়েছি কিনা। ক্যামেরায় শট দেওয়া ছাড়া আমরা সব সময় মাস্ক পরে থাকছি।

সব সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছি, যতটা সম্ভব সাবধানতা বজায় রাখার চেষ্টা করছি। কিন্তু ক্যামেরার সামনে অভিনয় করার সময় মাস্ক খুলতে হচ্ছে।” জানা যাচ্ছে অভিনেতাদের জন্য যে ইন্সুরেন্স রয়েছে তা প্রয়োগ করা হয়েছে নীলের ক্ষেত্রেও।

তিনি বলছেন, “প্রডিউসার গিল্ড ও আর্টিস্ট ফোরামের লাইফ ইন্সুরেন্স আমার রয়েছে। শরীর যদি আরো খারাপ করে তাহলে একটা ভালো হাসপাতালে ভর্তি হতে সেটা সাহায্য করবে বলে আমার মনে হয়। কিন্তু এই মুহুর্তে বাড়িতেই কোয়ারেন্টাইন করে রয়েছি এবং আমার চিকিৎসক যা বলছেন তা মেনে চলছি।”

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা