কলকাতাঃ  কোনও মুখের কোথায় কোনও চাকরি হবে না। এমনটাই নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর এই কথার পরে এই বিষয়ে সাফ বিজ্ঞপ্তি জানিয়ে দেওয়া হয় যে কোনও নির্দেশ ছাড়া কোনও নিয়োগ হবে না। কিন্তু এরপরেও রাজ্যে সরকারের অনুমতি ছাড়াই নিয়োগ করা হয়েছে কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে। বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা একাধিক কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে নিয়োগ করা হয়েছে।

অনুমতি ছাড়া এভাবে নিয়োগ করার জন্যে বেতন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে আইসিএআর অর্থাৎ এগ্রিকালচার টেকনোলজি এপ্লিকেশন রিসার্চ ইনস্টিটিউট। নিয়োগে স্বজনপোষণের মতো মারাত্মক অভিযোগ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিকারিকদের আত্মীয়রাই চাকরি পেয়েছে বলে অভিযোগ একাংশের। ইতিমধ্যে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পৌঁছে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের কর্মীদের বেতন ও গবেষণার ক্ষেত্রে অর্থ বরাদ্দ করে এই সংস্থা। রাজ্য সরকারের অনুমোদিত পদগুলির জন্য শুধুমাত্র আইসিএআর অর্থ দেয়। চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের জন্যে একটি নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সিনিয়র বিজ্ঞানী সহ মোট ১০টি পদের জন্য আবেদনপত্র চাওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকেই বিতর্ক দেখা দেয় বলে বাংলা এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে।

প্রকাশিত খবর মোতাবেক, এই সমস্ত পদের জন্যে স্বজন পোষণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক আধিকারিকদের আত্মীয়দের চাকরি দেওয়া হয়েছে। নিয়োগে প্রবলভাবে অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ। একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রগুলিতে নিয়োগের জন্য পদ সৃষ্টির ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের অনুমোদন নিতে হয়। এক্ষত্রে অনুমোদনও নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। নিয়োগ হওয়ার পরেও রাজ্য সরকারের অনুমোদন নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এরপরেই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে আইসিএআর। প্রকাশিত খবর মোতাবেক আইসিএরআর বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে ইতিমধ্যে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, সিনিয়র বিজ্ঞানী সহ নিয়োগ হওয়া কর্মীদের বেতন বন্ধ করা হল।