স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কোকেনকাণ্ডে বিজেপির দুই নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা ও অনুপম হাজরাকে নোটিশ পাঠাল কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা দফতর। সূত্রের খবর, শুক্রবারই নোটিশ পাঠানো হয়েছে এই দুই বিজেপি নেতাকে। বৃহস্পতিবার পামেলা ও রাকেশ সিংকে জেরা করে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। এরপরই এই নোটিশ বলে মনে করা হচ্ছে। লালবাজার  সূত্রে খবর, অনুপম হাজরা এবং শঙ্কুদেবকে জিজ্ঞাসা করে বেশ কিছু তথ্য মিলতে পারে।

বৃহস্পতিবার কোকেনকাণ্ড বিজেপির দুই নেতা-নেত্রী পামেলা গোস্বামী ও রাকেশ সিংকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করেছে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। পামেলার মোবাইল ফোন থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি অডিও ক্লিপ। সেই অডিও ক্লিপ থেকেই শঙ্কুদেব পণ্ডা ও অনুপম হাজরার নাম জানতে পেরেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর৷

প্রসঙ্গত, মাদক-কাণ্ডে দিন কয়েক আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল বিজেপি নেত্রী পামেলা গোস্বামীকে। ২০ ফেব্রুয়ারি তাঁকে আলিপুর আদালতে তোলার সময় এই রাকেশের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছিলেন পামেলা। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র ঘনিষ্ট রাকেশ সিং তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছেন৷ তাঁকে গ্রেফতার করা হোক এই দাবি ছিল পামেলার। এরপর বিকেলের দিকে একবার মোবাইল অন হলে পুলিশ নিশ্চিত হয় পূর্ব বর্ধমানে আছেন রাকেশ। এরপরেই গলসি থানার পুলিশ গ্রেফতার করে রাকেশকে।

বৃহস্পতিবার আদালতে তোলা হয় পামেলাকে৷ আদালত যাওয়ার পথে গ্রেফতার হওয়া রাজ্য বিজেপির যুব মোর্চার নেত্রীর দাবি, ‘‘রাকেশ সিংহর আমার উপর ইন্টারেস্ট ছিল। অন্য চোখে দেখা শুরু করে, আমি অ্যাভোয়েড করি, তখনই অ্যাগ্রেসিভ হয়ে ওঠে৷ বিজেপির আর কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই। পুলিশ সঠিক তদন্ত করছে। তদন্তের প্রতি আমার আস্থা আছে।’’ রাকেশ সিং এর সঙ্গে পামেলার কথোপকথনের বেশ কিছু মেসেজ হাতে এসেছে গোয়েন্দােদের।

এদিকে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফের বিজেপি নেতা রাকেশ সিংয়ের বাড়িতে তল্লাশি চালায় কলকাতা পুলিশ। প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে তল্লাশি চালানো হয়। লালবাজারের তরফে গোয়েন্দারা এদিন সেই বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গেলে বচসা বাঁধে রাকেশ সিংয়ের বড় ছেলের সঙ্গে। পুলিসকে ঢুকতে বাধা দেয় রাকেশের বড় ছেলে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।