কলকাতা: টলিউডে ক্রমেই লম্বা হচ্ছে করোনা হানার লিস্ট। করোনা আক্রান্ত হলেন অভিনেতা ও নাট্যকার কৌশিক সেন ও তাঁর স্ত্রী রেশমী সেন। করোনা টিকা নেওয়ার পরেও তাঁরা করোনা আক্রান্ত হলেন।

জানা গিয়েছে, বিগত ১০ এপ্রিল করোনা টিকা নিয়েছিলেন কৌশিক সেন ও তাঁর স্ত্রী রেশমী সেন। তাঁদের দাবি, টিকা নেওয়ার পরে একটু শারীরিক অস্বস্তি অনুভব করেন উভয়েই। ফলে করোনা পরীক্ষা করানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ১৪ তারিখে করোনা রিপোর্ট পজিটিভ জানা যায় কৌশিকের। ১৮ এপ্রিল করোনা আক্রান্ত হন তাঁর স্ত্রী রেশমীও।

কৌশিকের সেন জানিয়েছেন, তাঁরা হোম আইসোলেশনে আছেন। সেই অর্থে তাঁদের কোনও শারীরিক জটিলতাও দেখা দেয়নি। সাধারণ ওষুধপত্র খেয়ে এবং করোনার সুরক্ষাবিধি মেনেই তাঁরা নিজেদের সেল্ফ কোয়ারান্টিনে রেখেছেন। ইতিমধ্যেই বেশ কিছুটা সুস্থও হয়ে উঠেছেন বলে খবর।

করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন কৌশিক সেন। প্রবল করোনা সংক্রমণের মধ্যেও মোদী এতদিন যেভাবে রাজ্যে এসে প্রচার চালিয়েছেন, তা নিয়েই তোপ দাগেন তিনি। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, ‘‘সাধারণ মানুষ কি বুঝতে চাইছেন না, জীবনের থেকে দামি আর কিছুই হতে পারে না?’’

যদিও কোভিড পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে শুক্রবার রাজ্যে সশরীরে প্রচারে আসছেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু এর আগে সংক্রমণের তীব্রতা থাকা সত্বেও একাধিক হায়গায় প্রচার সেরেছেন তিনি। যা নিয়ে তাঁকে তীব্র কটাক্ষ করেছে বিরোধী থেকে নাগরিক সমাজও।

তবে কোশিক সেন ও তাঁর স্ত্রী করোনা আক্রান্ত হলেও তাঁদের ছেলে ঋদ্ধি সেন কিন্তু এখনও করোনা নেগেটিভ। কৌশিকের বক্তব্য, সচেতনতা না থাকার দরুনই করোনার সেকেন্ড ওয়েভে সংক্রমণ মাত্রা ছাড়া হয়ে উঠছে। কোভিড আক্রান্ত হলেও তিনি যে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেবেন তা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন কৌশিক সেন।

উল্লেখ্য, টলিউডে এখন করোনার ঢেউ। আবীর চট্টোপাধ্যয়ায় সহ একাধিক সেলিব্রিটি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তও। সিঙ্গাপুরে থাকাকালীন করোনা আক্রান্ত হন তিনি। এছাড় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন অভিনেতা জিৎ। কোভিড আক্রান্ত হওয়ার খবর তিনি নিজেই জানিয়েছেন তাঁর সোশ্যাল সাইটে। গতকাল করোনা আক্রান্ত হন অভিনেত্রী চৈতী ঘোষাল। তিনি বাড়িতেই আইসোলেশনে আছেন বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.