স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বিদ্যুতের বিল নিয়ে অভিনেতা অংকুশের পর এবার ক্ষোভ প্রকাশ করলেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি নিজেই সেই বিলের ছবি টুইট করেছেন। টুইটার হ্যান্ডেলে টলিউডের এই পরিচালক লিখেছেন, “আমরা তিনজন। অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন আমাদের। বিশেষ করে এরম অনিশ্চিত সময়ে আরো খরচ সামলে চলেছি সবাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘গরমে দুপুর একটি ও রাতে শোবার সময় দুটি এসি চলে। কোনোদিন একসঙ্গে তিনটি এসি চলে না আমাদের বাড়িতে। সবই এলইডি আলো! তাও বারবার এরম বিল! বিকল্প নেই! অসহায়! আগের বিল ছিল ১৬ হাজার!” সেই সঙ্গে ১৯,৯০০ টাকার বিলের ছবিটিও পোস্ট করেছেন তিনি।

শুক্রবার সকালে সিইএসসি-র বিরুদ্ধে প্রথম মুখ খোলেন অঙ্কুশ। সিইএসসি-র পাঠানো বিলের একটি ছবি টুইটারে পোস্ট করেন তিনি। তাতে দেখা যায়, আগের মাসে বিদ্যুতের বিল বাবদ ৪ হাজার ১০ টাকা মিটিয়েছিলেন তিনি।

কিন্তু চলতি মাসে সেই বিল বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ১৪০ টাকায়। বিষয়টি নিয়ে সিইএসসিকে ট্যাগ করে অঙ্কুশ লেখেন, ‘‘৪ হাজার থেকে ২১ হাজার? বিশ্বাস করুন এই মহামারি পরিস্থিতিতে বাড়িতে কোনও ডিস্কো লাইট বা এইচএমআই লাগিয়ে ফূর্তি করিনি আমি। আমাদের সঙ্গে এমন করবেন না।’’

অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত জানান, আগের মাসে বিদ্যুতের বিল বাবদ ৩ হাজার ২৮০ টাকা মিটিয়েছিলেন তিনি। এ মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৬৬০ টাকা। সিইএসসি-কে ট্যাগ করে টুইটারে তিনি লেখেন, ‘‘এটা নিউ নর্মাল হতে পারে না।’

‘গত কয়েক বছর ধরে যা দিয়ে আসছি, সেই তুলনায় অদ্ভুত ভাবে ১৭ হাজার ৬৬০ টাকার বিল পাঠানো হয়েছে আমাকে। সিইএসসি-কে অনুরোধ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হোক।’’ বিলের একটি ছবিও টুইটারে পোস্ট করেন তিনি।

শুধু সেলিব্রিটিরাই নয়, বিদ্যুতের বিল নিয়ে জেরবার হাজার হাজার সাধারণ মানুষ। বাড়তি বিদ্যুতের বিল নিয়ে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষোভ জানাতে শুরু করেছেন গ্রাহকরা। তাঁরা বিলের অঙ্ক জানিয়ে প্রতিকার চেয়েছেন। এমনকি খোদ বিদ্যুৎমন্ত্রীর এইমাসে চার গুন বেশি বিল এসেছে।

এদিকে, সূত্রের খবর, সিইএসসি’কে অ্যাডভাইজরি পাঠাতে চলেছে রাজ্য সরকার। তাতে বলা হবে, আগামী এক মাসের মধ্যে বিলের ভুল ত্রুটি ঠিক করতে হবে। ওই সময়ের মধ্যে কোনও গ্রাহকের ক্ষেত্রে বিল বাবদ টাকা নেওয়া যাবে না। এছাড়া, যদি কোনও গ্রাহক অতিরিক্ত বিল জমা দিতে না পারেন, তাহলে তাঁর বিদ্যুতের লাইন কাটতে পারবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।