কলকাতাঃ শহরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর অন্যদিকে দফায় দফায় বিক্ষোভ, স্লোগানে উত্তেজনা ছড়াল তিলোত্তমার অন্য অংশে। কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের অনুষ্ঠানে শহরে পা রাখার পর থেকে চলছে বিক্ষোভ কর্মসূচি। যখন মিলেনিয়াম পার্কের অনুষ্ঠানে একমঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রধানমন্ত্রী নমো।

অন্যদিকে, বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে ডোরিনা ক্রসিং। বাম এবং কংগ্রেসের বিক্ষোভে উত্তেজনা ছড়িয়েছে ওই এলাকায়। বিক্ষোভে সামিল যাদবপুরের পড়ুয়াদের একাংশও। কার্যত পড়ুয়াদের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তি পুলিশের। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে র‍্যাফ।

বিক্ষোভ, অবরোধে কলকাতা জুড়ে তীব্র যানজট। রাস্তায় চাকা নড়ছে না গাড়ির।

আজ শনিবার সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন প্রান্তে প্রধানমন্ত্রীর কলকাতা সফরের বিরোধীতায় চলছে বিক্ষোভ-অবরোধ কর্মসূচি। অশান্তির আশঙ্কায় দমদম বিমানবন্দর থেকে রেস কোর্সে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীকে। যদিও রেস কোর্সে নামার পর সড়ক পথে রাজভবনের উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। আর সেখানে কোনও যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্যে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী যে পথে রাজভবনে যাওয়ার কথা ছিল সেই সমস্ত রাস্তায় ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়। কাউকে সিমানার মধ্যে ঘেঁষতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু তা সত্ত্বেও ফ্লাইওভার থেকে প্রধানমন্ত্রীকে কালো পতাকা দেখানোর চেষ্টা করা হয়।

প্রসঙ্গত, শনিবার শহরে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী। আজ বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে রবিবার দুপুর একটা পর্যন্ত ঠাসা কর্মসূচী ছিল প্রধানমন্ত্রীর। তবে বেশীরভাগ অনুষ্ঠানই ছিল পোর্ট ট্রাস্টের তরফে। কোনও রাজনৈতিক প্রচার নয়, সম্পূর্ণ সরকারী অনুষ্ঠানে শহরে পা রেখেছেন তিনি। এর মধ্যে যেমন তিনি গিয়েছেন মিলেনিয়াম পার্কে, তেমনই যোগ দিয়েছেন পোর্ট ট্রাস্টের ১৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে। আবার রাজভবনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও মোদী-মমতার এই বৈঠককে একহাত নিয়েছেন বিরোধীরা।