কলকাতা : কলকাতার তাপমাত্রা আজ স্বাভাবিকের নীচে রয়েছে। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। ১৭ তারিখ সন্ধ্যায় মরসুমের প্রথম কালবৈশাখী পায় শহর। ৫২ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যায় শহরের উপর দিয়ে। এর জেরে আজ ১৯ এপ্রিল সকালেও তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচে রয়েছে। আপাতত কলকাতা সহ অন্যান্য জেলায় এমন আবহাওয়া থাকবে। তবে তা খুব দ্রুতই পরিবর্তন হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

আজ সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। রবিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বনিম্ন ৫১ শতাংশ, সর্বোচ্চ ৮৫ শতাংশ। আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রিতে পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

দক্ষিণবঙ্গের জেলার আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, সোমবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়া, মুর্শিদাবাদে বজ্রবিদ্যুৎ বৃষ্টি এবং সঙ্গে ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। এর জেরে পারদ আপাতত কম থাকবে। তবে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে আগামী তিন থেকে চারদিন দিনে তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস মিলছে।

এপ্রিলের শেষে যে গরম বাড়বে, তা আগেই জানানো হয়েছিল। সেটাই হবার সম্ভাবনা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। হাওয়া অফিসের অধিকর্তা গনেশকুমার দাস জানিয়েছেন, ‘পূবালী বায়ু হাওয়া সক্রিয় রয়েছে, যা সময়ের নিরিখে স্বাভাবিক তবে পূবালী হাওয়ার সক্রিয় হওয়ার জেরেই দ্রুতই বাড়বে গরম। তা প্রকট হবে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই। বুধবারের মধ্যেই পারদের অনেকটাই পরিবর্তন দেখা যাবে। আগামী ২৩ থেকে ২৪ এপ্রিল নাগাদ তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। এমনকি তাপমাত্রার পারদ ৪০ ডিগ্রিতেও পৌঁছতে পারে বেশ কয়েকটি দক্ষিণবঙ্গের জেলায়।’ এই গরমের রেশ টানা এক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে বলে মত আবহাওয়াবিদদের।

এদিকে উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলাতেই কোনও না কোনও জায়গায় শিলাবৃষ্টি হতে পারে। শুধু সোমবারই নয়, মঙ্গলবারেও সবকটি জেলাতেই এমন হালকা থেকে মাঝারি আবার কোথাও ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানানো হচ্ছে হাওয়া অফিসের তরফে। পাশাপাশি আগামী তিন থেকে চারদিন দিনের তাপমাত্রার সেরকম কোনও পরিবর্তন হবে না বলে জানানো হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.