স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। দমদমের তাপমাত্রা ১৮.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সল্টলেকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কমে যায় মঙ্গলবার। ওইদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। সোমবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। সোমবারের তাপমাত্রা ছিল ১৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ।

সমগ্র দক্ষিণবঙ্গের চিত্রটা কেমন ? দেখা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দিঘায় ১৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আসানসোলে ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ক্যানিংয়ে ১৬.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শ্রীনিকেতনে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পানাগড়ে ১২.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কৃষ্ণনগরে ১৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মেদিনীপুর ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পুরুলিয়া ১৩.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার বাঁকুড়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দিঘায় ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আসানসোলে ১৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ক্যানিংয়ে ১৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শ্রীনিকেতনে ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পানাগড়ে ১১.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কৃষ্ণনগরে ১৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মেদিনীপুর ১৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পুরুলিয়া ১১.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার বাঁকুড়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দিঘায় ১৪.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আসানসোলে ১২.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ক্যানিংয়ে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শ্রীনিকেতনে ১১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পানাগড়ে ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত তিন দিনে যে পারদ বেড়েছে তা স্পষ্ট। এও জানা গিয়েছে ২৯ নভেম্বর দক্ষিণ মধ্য বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে। সবমিলিয়ে রবিবার পর্যন্ত শীতের দুয়ারে কাঁটা থাকছে তা স্পষ্ট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।