স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : অল্প বেড়েছে শহরের পারদ। তবে অস্বস্তি অনেকটাই কম। পঁচিশের নীচে রয়েছে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। রবিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। শনিবার বিকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.৮ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি কম। বৃষ্টি হয়নি। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৪ ও সর্বনিম্ন ৬৫ শতাংশ। তাপমাত্রা থাকবে সর্বনিম্ন ২৪ ডিগ্রি থেকে সর্বোচ্চ ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।

শনিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। শুক্রবার বিকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি কম। বৃষ্টি হয়েছে ১.২ মিলিমিটার। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৩ ও সর্বনিম্ন ৮৬ শতাংশ। তাপমাত্রা থাকবে সর্বনিম্ন ২৪ ডিগ্রি থেকে সর্বোচ্চ ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।

শুক্রবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। বৃহস্পতিবার বিকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে পাঁচ ডিগ্রি কম। বৃষ্টি হয়েছে ০.২ মিলিমিটার। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৫ ও সর্বনিম্ন ৭৭ শতাংশ। তাপমাত্রা থাকবে সর্বনিম্ন ২৪ ডিগ্রি থেকে সর্বোচ্চ ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।

বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। বুধবার বিকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। বৃষ্টি হয়েছে ০.৬ মিলিমিটার। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯২ ও সর্বনিম্ন ৬১ শতাংশ। তাপমাত্রা থাকবে সর্বনিম্ন ২৫ ডিগ্রি থেকে সর্বোচ্চ ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।

এই সপ্তাহের শুরু থেকেই টানা গরম চলছিল বাংলা জুড়ে। কিন্তু স্বস্তি ফিরিয়ে দিয়েছে নিম্নচাপ। কার্ত্তিক মাস শুরু হয়ে গিয়েছে বোঝাই যায়নি। ষষ্ঠী থেকে বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ এগিয়ে আসতেই আকাশের মুখ ভার হয়ে যায়। তারপর বৃষ্টির সম্ভাবনা কাটিয়ে আজ নবমী। রোদ ঝলমলে আকাশ নেই। মেঘলা আকাশ থাকলেও মোটের উপর অস্বস্তিকর আবহাওয়া নেই দক্ষিণবঙ্গে তা স্পষ্ট।

এর আগে নিম্নচাপের আসন্ন খবর সিঁদুরে মেঘ দেখছিল আম্ফান ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলি। বর্ষা জুড়ে ভালো বৃষ্টি হওয়ায় নদী-খাল-বিল সব জায়গাতেই জলধারণ ক্ষমতা কমেছে। সুন্দরবনের বাঁধের ইতিমধ্যেই শোচনীয় পরিস্থিতি। এই অবস্থায় নিম্নচাপের ঝাপ্টা বিপর্যয়ের পরিস্থিতি তৈরি করতে যথেষ্ট। বিশেষ করে গোটা রাজ্য যখন উৎসবমুখর। ঝোড়ো বাতাসে মণ্ডপের ক্ষতি হলে বা কোথাও কয়েক ঘণ্টার জন্য জল দাঁড়িয়ে গেলে সেটাই পরিস্থিতি ঘোরালো করে তুলতে পারে। সেটা আঁচ করেই সুন্দরবনের মানুষকে আজ বাড়ি থেকে বেরোতে নিষেধ করা হয়েছিল।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।