স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : বৃষ্টি হলেও কলকাতার সকালের তাপমাত্রা কিছুতেই কমছে। উলটে তা থাকছে সেই স্বাভাবিকের উপরেই। বুধবারেও সেই একই পরিস্থিতি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে স্বাভাবিকের উপরে। নীচে রয়েছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

সকাল থেকেই যথারীতি মেঘলা আকাশ। সাত সকালেই অল্প বৃষ্টি হয় কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, , যা স্বাভাবিকের থেকে আক ডিগ্রি বেশি। মঙ্গলবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। কলকাতায় ২৬.২, দমদমে ৭.৭, সল্টলেকে ১৩.১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। শহরে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৫ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৭৬ শতাংশ। সমগ্র দক্ষিণবঙ্গেই হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে বলে জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। হাওয়া অফিস সূত্রে জানা যাচ্ছে, আগামী কয়েকদিনে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রামে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। মঙ্গলবার থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। বাগাতিতে ১০.৬, ব্যরাকপুরে ৭.২, বহরমপুরে ৭.০, বর্ধমানে ১৩.৬, ক্যানিংয়ে ১৩.২, হলদিয়ায় ৭.১, পানাগড়ে ১৬.৮, পুরুলিয়ায় ২৩.০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

অপরদিকে আজ বুধবার সকাল পর্যন্ত শিলিগুড়িতে ১৯.৩ মিলিমিটার, মালদহে ১৫.১ মিলিমিটার, জলপাইগুড়িতে ৫৭.৪ মিলিমিটার, দার্জিলিংয়ে ৫.৯ মিলিমিটার, , কোচবিহারে ১০.৫ মিলিমিটার , বালুরঘাটে ২৪.০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। হিমালয় সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করবে সক্রিয় মৌসুমী অক্ষরেখা। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগর থেকে আসা জ্বলীয় বাষ্পের পরিমান ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় উত্তরে ফের বাড়বে বৃষ্টি। ৯ জুলাই থেকে ১২ জুলাই ভারী বৃষ্টির সতর্কতার মধ্যে টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস মিলছে দার্জিলিং, কালিম্পঙে। অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে জলপাইগুড়িতে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারেও বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। ৭০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হতে পারে কোচবিহারে। আলিপুরদুয়ারেও ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হতে পারে। মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ভুটান পাহাড়ে বৃষ্টি হলে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা রয়েছে। তিস্তা ব্যারাজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে জলপাইগুড়ি প্রশাসন। প্রবল বৃষ্টির জেরে পাহাড়ি এলাকায় ধস নামতে পারে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ