স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : আজ কলকাতা ও তার সংলগ্ন অঞ্চলে মেঘলা আকাশ থাকবে। দুপুরের দিকে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি না হলে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়বে। রবিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক। শনিবার বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৭৭ থেকে ৯৫ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১৬.১ মিলিমিটার। দমদমে ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। সল্টলেকে বৃষ্টি হয়নি।

শনিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। শুক্রবার বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৭৬ থেকে ৯৫ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সামান্য বৃষ্টি হয়। এদিকে হাওয়া অফিস আগেই জানিয়েছিল উত্তর ও সংলগ্ন পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর নিম্নচাপ তৈরি হবে। এর জেরে পূর্ব ও মধ্য ভারতের রাজ্যগুলিতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে ওডিশা, ঝাড়খণ্ড, ছত্তিসগড় ও মধ্যপ্রদেশে। ওডিশা ও ঝাড়খণ্ড সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। পাশাপাশি হাওয়া অফিস এও জানাচ্ছে যে মৌসুমী অক্ষরেখাও দক্ষিণবঙ্গের উপর অবস্থান করছে। এর ফলে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।

দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর নদীয়া এবং হাওড়াতে দু-এক পশলা বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতা সহ বাকি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস। নিম্নচাপের জেরে সোমবার আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই জেলাগুলির মধ্যে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে।

অন্যদিকে আরব সাগরে নিম্নচাপ শক্তিশালী হয়ে সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটির অবস্থান মধ্য ও উত্তর আরব সাগরে। এটি আরও শক্তিশালী হয়ে পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই নিম্নচাপ এলাকায় ঘূর্ণাবর্ত থাকায় নিম্নচাপ আরও শক্তি সঞ্চয় করছে। একই সঙ্গে রয়েছে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা যেটি এই নিম্নচাপ থেকে মহারাষ্ট্র হয়ে মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা