স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : বৃহস্পতিবার সকালে কিছুটা কম ছিল শহরের পারদ। বেলা বাড়তেই তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। বিকালের দিকে নাজেহাল করছিল গরম। অস্বস্তি বেড়ে যায় রাতের দিকে। শুক্রবার সকালে আবারও বেড়ে গিয়েছে কলকাতার তাপমাত্রা। অল্প বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি হলে তাপমাত্রা কমতে পারে সামান্য এবং তা সাময়িক বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।

শুক্রবার সকালে তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ২৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। বৃহস্পতিবার বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি ছিল। বৃহস্পতিবার বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমাণ ৬৮ থেকে ৯১ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয় ছিটেফোঁটা। দমদমে ০.৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। সল্টলেকে বৃষ্টি হয় মাত্র ০.১ মিলিমিটার।

বৃহস্পতিবার সকালে তাপমাত্রা ছিল সর্বনিম্ন ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক। বুধবার বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। বৃহস্পতিবার বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমাণ ৭০ থেকে ৯৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয় ০.৪ মিলিমিটার। ওইদিন দমদমে ৬.৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হলেও সল্টলেকে বৃষ্টি হয়নি। কলকাতায় বুধবার সকালে তাপমাত্রা ছিল সর্বনিম্ন ২৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। মঙ্গলবার বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমাণ ছিল ৬৯ থেকে ৯৪ শতাংশ। দমদমে , সল্টলেক কোথাও বৃষ্টি হয়নি।

মঙ্গলবার সকালে তাপমাত্রা ছিল সর্বনিম্ন ২৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। সোমবার বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমাণ ছিল ৭২ থেকে ৯৫ শতাংশ। বৃষ্টি হয় ৩.৩ মিলিমিটার। দমদমে ০.৮, সল্টলেকে ১০.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

সেই বৃষ্টি পুরোপুরি উধাও হয়েছে শহর থেকে। সোমবার সকালে শহরের তাপমাত্রা ছিল সর্বনিম্ন ২৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। রবিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমাণ ছিল ৬৯ থেকে ৯৪ শতাংশ। বৃষ্টি হয় ছিটেফোঁটা। সবমিলিয়ে টানা পাঁচ দিন এমনই অস্বস্তিকর আবহাওয়ার জারি রইল শহরে।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।