কলকাতা: শহরে রাস্তার ধারের খাবারের মান নিয়ে বার বার প্রশ্ন উঠেছে। এরপরই অভিযানে নামে কলকাতা পুরসভা।শুরু হয় খাবারের মান নিয়ে সমীক্ষা।

সমীক্ষার পর কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীত ঘোষ জানান, ১০০ শতাংশ না হলেও কলকাতার স্ট্রিট ফুড নিরাপদ। দেশের মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ কলকাতার স্ট্রিট ফুড ।

বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থায় যতটা সচেতন থাকা সম্ভব, কলকাতার রাস্তার খাবার ততটাই সুরক্ষিত। রাস্তার খাবারকে স্বাস্থ্য সম্মত করে তুলতে পুরসভার ফুড সেফটি অফিসাররা নিয়মিত অভিযান চলছে।

২০১৫ থেকে কলকাতা পুরসভা ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালিয়ে আসছে ।রাস্তার ধারের খাবারের দোকানদারদের সচেতন করা হচ্ছে। আবার খাবারে ভেজাল পেলে, তা নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া আমাদের ২৬ জন ফুড সেফটি অফিসার রয়েছেন ।১৬ টি বোরোকে ১৬টা জোনে ভাগ করা হয়েছে। নিয়মিত ১৬টি মোবাইল টিম নজরদারি করছে। সোম থেকে শনিবার চলে অভিযান।

সুতরাং বলাই যায় কলকাতা শহরের স্ট্রিট ফুড নিরাপদে খেতে পারেন। কারণ, এখন এই খাবারগুলি ওনেক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও পরিস্কার। স্ট্রিট ফুড নিয়ে কলকাতা পুরসভার এক সমীক্ষায় এমনই জানানো হয়েছে।

কলকাতার স্ট্রিট ফুড নিয়ে ওয়ার্ল্ড হেল্‌থ অর্গানাইজেশন (‌‌WHO)‌, রাজ্য স্বাস্থ্য এবং পুর স্বাস্থ্য দফতর যৌথভাবে এক সমীক্ষা চালায়। সেই সমীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর, পুর স্বাস্থ্য দফতরের পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন কলকাতার ডেপুটি মেয়র তথা মেয়র পারিষদ (‌স্বাস্থ্য)‌ অতীন ঘোষ। এই বৈঠকে ছিলেন WHO-এর প্রোজেক্ট কো–অর্ডিনেটর ইন্দিরা চক্রবর্তী।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ