স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: লকডাউনের অবসরে ভোল বদলাচ্ছে কলকাতা স্টেশন। তৈরি হচ্ছে নয়া লাউঞ্জ। বিমানবন্দরের মতোই সেখানে থাকবে ম্যাসেজ চেয়ার, স্পা, শ্যালন।

খাতায় কলমে কলকাতা স্টেশন এখন আন্তর্জাতিক স্টেশন। কারণ এখান থেকে বাংলাদেশ যাওয়ার জন্যে বন্ধন ও মৈত্রী এক্সপ্রেস ছাড়ে। এছাড়া উত্তরবঙ্গ ও উত্তর ভারত যাওয়ার একাধিক ট্রেন এখানে থেকে যাতায়াত করে। দুরপাল্লার ট্রেনের যে সমস্ত যাত্রীরা এখানে আসেন তাদের থাকার জন্য আশেপাশে ভালো কোনও হোটেল নেই। ফলে বিশ্রাম নেওয়ার জন্যে তাদের বেশ অসুবিধা হয়। সেই অসুবিধা কাটতেই স্টেশনের মধ্যেই তৈরি হচ্ছে লাউঞ্জ। এর নাম দেওয়া হচ্ছে ‘সফর’। লাউঞ্জে ঢুকলেই মনে হবে যেন আপনি পৌছে গিয়েছেন রেলের কামরায়।

এখানে থাকছে মোট ৯টি বেড। ৭টি রিক্লাইনার চেয়ার। যেখানে আপনার সুবিধা মতো আপনি বসতে বা শুতে পারবেন। থাকছে মহিলা ও পুরুষদের জন্যে স্নানের পৃথক ব্যবস্থাও। থাকছে বেবি ফিডিং রুমও। এর পাশাপাশি থাকছে বাচ্ছাদের জন্যে গেম পার্লার ও বড়দের জন্যে লাইব্রেরিও।

সমস্তটাই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। এছাড়া থাকছে ফিস স্পা। যেখানে একসাথে চার জন বসতে পারবেন। ঠিক তার পাশেই থাকছে শ্যালন। দু’জন সেই শ্যালন ব্যবহার করতে পারবেন। তবে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখেই সেই কাজ করা যাবে। এর পাশাপাশি আরামের জন্য থাকছে ম্যাসাজ চেয়ার। বদল আসছে কলকাতা স্টেশনের ফুড কোর্টেও।

আগেই শিয়ালদহ স্টেশনের সৌন্দর্যায়নেও লকডাউনকে কাজে লাগিয়েছে পূর্ব রেল। স্টেশনে প্রবেশের মুখে রং করা হয়েছে। পিলারে কলকা। ফলস সিলিং, এলইডি লাইট, গ্রানাইটের কভারে সাজানো হয়েছে স্টেশন। সাউথ কনকর্স গ্রানাইডে মুড়ে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় বসানো হয়েছে ম্যুরাল। আগের ৯এ, ৯বি প্ল্যাটফর্মের উলটো দিকে যেখানে ভিআইপিদের প্রবেশদ্বার তার পাশেই বসছে চলমান সিঁড়ি। সেই সিঁড়ি দিয়েই আপনি পৌঁছে যাবেন স্টেশনের শপিং মলে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও