ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সারা দেশ এখন কোরোনার ভয়ে কাঁটা। এই পরিস্থিতিতেও ফের জ্বলে উঠলো সিএএ-এনআরসি বিরোধী আগুন। জনতা কার্ফুর ঠিক আগেরদিন, শনিবার রাজাবাজার মোড়ে এনআরসি, সিএএ-র প্রতিবাদে চলল বিক্ষোভ। পোড়ানো হল নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহের কুশপুতুল। সঙ্গে চলল স্লোগান। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এই পরিস্থিতিতে কিভাবে রাজাবাজারে বিক্ষোভ কর্মসূচি করার অনুমতি মিলল? জমায়েত থেকে ভাইরাসের সংক্রমণ হলে দায় কার?

উল্লেখ্য, এদিনই রাজ্যে আরও একজন করোনাভাইরাস আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। ১৩ মার্চ থেকে জ্বর আসে দমদমের বাসিন্দা ৫৭ বছরের প্রৌঢ়ার। সল্টলেকের বেসরকারি হাসপাতালে ১৬ মার্চ তাঁকে ভর্তি করা হয়। এসএসকেএম ও নাইসেডে নমুনা পরীক্ষায় উপস্থিতি মিলেছে করোনাভাইরাসের। নাগরিকত্ব বিলে রাষ্ট্রপতি সিলমোহর দেওয়ার পর থেকে প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে গোটা দেশ। রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বিভিন্ন রাজ্য। এই পরিস্থিতিতে আন্দোলনের নতুন পথ দেখিয়েছিল দিল্লির শাহিনবাগ।

তাঁদের পথে হেঁটেই কলকাতার খিদিরপুর, পার্ক সার্কাস, রাজাবাজারে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন নাগরিকত্ব আইন বিরোধীরা। বিক্ষোভস্থল থেকে প্রতিনিয়ত সিএএ বাতিলের দাবি জানান তাঁরা। কিন্ত গোটা বিশ্বে করোনার দাপটে সিএএ বিরোধী ক্ষোভের আঁচ অনেকটাই কমে গিয়েছিল। কিন্তু শনিবার রাজাবাজারে তা ফের নতুন করে মাথা চারা দিল। এদিন সন্ধেয় রাজবাজারে এনআরসি, সিএএ-র বিরোধিতায় একটি মিছিল করে বিক্ষোভকারীরা। এর মোড়ে জ্বালানো হয় কুশপুতুল।

করোনা ঠেকাতে রবিবার জনতা কার্ফুর ডাক দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। জমায়েত এড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। উদ্যোক্তাদের দাবি, একদিনের জনতা কার্ফুতে কী লাভ? এমনকি রাজাবাজারে অবস্থান বিক্ষোভ চলবে বলেও জানান তাঁরা। উল্লেখ্য, পার্ক সার্কাসের আন্দোলনকারীরাও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা জনতা কার্ফু মানবেন না।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা