ছবি: মিতুল দাস৷

বিশ্বজিৎ ঘোষ

আহা…! বৃষ্টির আর কী দোষ! সে তো ঝরবেই৷এবং, সে কারণে জলও জমবে৷ অথচ, সরল এই বিষয়টি না জেনে-বুঝে কত কিছুই না বলছেন নিন্দুকেরা! কেন বুঝতে পারছেন না নিন্দুকেরা যে, বাথরুমেও জল জমে!

কলকাতা এখন ওয়াই-ফাই সিটি৷ কিন্তু, তাতে কী হয়েছে! কলকাতায় এখনও মধ্যরাতে বদল হয় ফুটপাথ৷ তাই বলে কি বৃষ্টি হবে না! লন্ডনেও তো বৃষ্টি হয়৷ তাই বলে কি লন্ডন হতে পারে না কলকাতা! তাতে যদি বৃষ্টির জলের তোড়ে ভেসে গিয়ে মৃত্যু হয় কোনও শিশুর, কী যায় আসে! তাই বলে কি লন্ডন বানানোর স্বপ্নকে এমন নিন্দা করতে আছে! এমন মন্দ বলতে আছে!

অথচ, বুঝতেই চাইছেন না নিন্দুকেরা! যে কারণে তাঁরা বলেন কি না, লন্ডন নয়, কলকাতাকে বরং ভেনিস হিসেবে বেশ মানাবে! বুঝুন কাণ্ড৷ জল তো জলের মতোই গড়ায় এবং গড়াবে৷ অথচ, এত অপপ্রচার! বিশেষজ্ঞরা বলেন যে, কলকাতার আকৃতি গামলার মতো৷ যে কারণে জমে যায় বৃষ্টির জল৷ তাই বলে কি লন্ডন বানানোর স্বপ্নকে এ ভাবে দুমড়ে-মুচড়ে দেওয়া যায়!

নিন্দুকেরা একবারও বুঝলেন না, কত অপপ্রচার সত্ত্বেও কলকাতা পুরসভার বোর্ড ফের দখল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস৷ সে কি এমনি এমনি সম্ভব হয়েছে! গত পাঁচ বছরে তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত পুরবোর্ড কলকাতা পুরসভা এলাকার প্রতিটি অলি-গলিতেও উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দিয়েছে যে! যার প্রভাবেই না ফের কলকাতা পুরসভার বোর্ড গঠন করতে পেরেছে তৃণমূল কংগ্রেস! অথচ, নিন্দুকদের যা কাজ৷ এবং, যে কারণে, উন্নয়নের ওই জোয়ার প্রত্যক্ষ করেও চোখ বুজে রয়েছেন তাঁরা৷ আর, কেবল অপপ্রচারের মাত্রা বৃদ্ধির জন্য ইন্ধন জুগিয়ে চলেছেন৷

কী আর উপায়! যত বেশি সুযোগ-সুবিধাই গ্রহণ করুন না কেন, নিন্দুকদের কাজ তো নিন্দুকেরা করবেনই৷ যে কারণে, নিন্দুকেরা কত কথাই না বলেন এবং আগামী দিনেও বলবেন৷ তাই বলে কি আর নিন্দুকদের কথা ধরতে আছে!

কাজেই, নিন্দুকদের কোনও কথা ধরাও হয়নি৷ কেবল তাই নয়৷ মনেও রাখা হয়নি নিন্দুকদের বিভিন্ন রকম এবং ধরনের নিন্দা-মন্দ৷ ফলে, নিন্দুকেরা যেমন খুশি বলুন না কেন, ওয়াই-ফাই কলকাতা একদিন লন্ডন হবেই! এমন স্বপ্নে নিন্দুকেরা কোনও ব্যাঘাত ঘটাতে পারবেন না৷ কেবল তাই নয়৷ ব্যাঘাত ঘটানোর মতো কোনও বিষয় খুঁজেও পাবেন না তাঁরা! কাজেই, ছিদ্র খুঁজে নিয়ে নিজেদের কাজ বহাল তবিয়তে করতেই পারেন নিন্দুকেরা৷ তাতে কিছুই যায় আসে না৷ মধ্যরাতে এখনও কলকাতার ফুটপাথ বদল হয়৷ কেবল-ই তাই নয়৷ ফুটপাথ দখল হয়ে রয়েছে এবং কলকাতার ফুটপাথ ক্রমে আরও দখলও হয়ে যায়৷ তবে, আগামী দিনে কলকাতার ফুটপাথ কার্যত পাকাপাকি ভাবে যাতে দখলে রাখা যায়, তার জন্যেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা অনুযায়ী প্রক্রিয়া চালু হয়ে গিয়েছে৷

কাজেই, নিজেদের খুশি মতো ছিদ্র খুঁজতেই পারেন নিন্দুকেরা৷ তাতে আর কিছুই যায় আসে না৷ তাতে যদি বৃষ্টির জলের তোড়ে ফুটপাথবাসী কোনও মায়ের কোল শূন্য হয়ে যায়, তাতেও আর কিছু যায় আসে না৷ ফুটপাথের শিশু যে! কী আর যায়-আসে! এ দিকে, সিঙ্গাপুর হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ! আর, কলকাতা একদিন লন্ডন হবে! কাজেই, কী-ই-বা আর যায় আসে বৃষ্টির জলের তোড়ে কলকাতার ফুটপাথের মাস ছয়েকের এক শিশুর মৃত্যু হলে!

তার উপর, বৃষ্টি-সুখ৷ তাও কি কম উপভোগের! তাও কি কম উল্লাসের!  হোক না বৃষ্টির জমা নোংরা জলের যন্ত্রণা৷ কিন্তু, বৃষ্টির হাত ধরে, বৃষ্টিকে ছুঁয়ে কত রকম এবং ধরনে যে উপভোগ করা যায় জীবনকে! কত রকম এবং ধরনে মেতে ওঠা যায় জীবনে! সে সবও কি আর কম কথা! অথচ, নিন্দুকেরা বোঝেন-ই না সে সব! বরং, তাঁরা কেবলই ছিদ্র খুঁজে চলেন৷

কী আর যায় আসে! ফুটপাথের শিশু যে! মুম্বইয়ের ওই এক ফুটপাথের দুর্ঘটনায় সলমন-দাবাং খানকে কতই না সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে৷ বলিউডের অভিনেতা সলমন খানের ওই রিয়েল-লাইফের সিনেমা-র আগে এবং পরেও, বিভিন্ন সময় পশ্চিমবঙ্গ সহ এ দেশের কোনও না কোনও ফুটপাথে চলচ্চিত্রায়িত হয়েছে এবং হচ্ছে ওই ধরনের রিয়েল-লাইফের দুর্ঘটনা৷ তাতেও কিছু যায় আসে না৷ তেমনই, বৃvenice.02ষ্টির জলের তোড়ে উত্তর কলকাতার ফুটপাথের মাস ছয়েকের এক শিশুর মৃত্যু হলেও কিছু যায় আসে না! কেননা, উল্লাস কেবলই বৃষ্টি-সুখের!

যে কারণেই না, বেসরকারি এফএম রেডিও চ্যানেলে দিনভর কেবল বৃষ্টির গান-কথা! স্মার্ট ফোনের সৌজন্যে নয়া প্রজন্মের একটি অংশ যেভাবে আরও ‘স্মার্ট’ হয়ে উঠছে, তার জেরে সেলফি-র সখও বাদ পড়েনি বৃষ্টি-সুখের ওই উল্লাসে৷ কেবলই তাই নয়৷ বৃষ্টির জমা জলে টাল সামলাতে না পেরে কীভাবে কলকাতার রাস্তায় কোন সাইকেল আরোহী ভূ(জল)-পতিত হয়েছেন, তাও বন্দি হয়েছে ক্যামেরা-স্মার্ট ফোনে৷ সেই ভিডিও আবার শেয়ার হয়েছে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকেও৷ কেবলই কি তাই?

মোটেও নয়৷ বেসরকারি এক এফএম চ্যানেলের এক অনুষ্ঠানের মহিলা আরজে তাঁর বক্তব্যে পেশ করেছেন, কীভাবে তিনি ওই সাইকেল আরোহীর পড়ে যাওয়ার ঘটনা স্মার্ট ফোন-বন্দি করেছেন৷ ওই ছল-ছবির বর্ণনা দিয়ে গর্বের সঙ্গে ওই আরজে এমনও বলেছেন, জলের মধ্যে ওই সাইকেল আরোহীর পড়ে যাওয়ার দৃশ্য ক্যামেরা (ভিডিও) বন্দির মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন সাংবাদিক হিসেবে মনে করতে পারছেন৷ কী আর যায় আসে! ফুটপাথের শিশু যে!  যে কারণে হয়তো ওই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্য সরকার অথবা কলকাতা পুরসভার তরফে সেভাবে কোনও খোঁজখবরও নিতে দেখা যায়নি বলে প্রকাশ পেয়েছে৷

কিন্তু, কেবলই ছিদ্র খুঁজে চললে হবে! বৃষ্টিতে জল জমবে না, তা হয়! যে কারণেই হয়তো কলকাতা পুরসভার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের এমন বক্তব্য প্রকাশ পেয়েছে যে, বৃষ্টিতে জল তো জমবেই৷ কলকাতার কোথাও কোথাও জল জমেছে৷ তবে জমা জল দ্রুত নেমেও গিয়েছে৷ এবং, নিকাশি বিভাগের মেয়র পরিষদ সদস্য তারক সিংয়ের এমন বক্তব্য প্রকাশ পেয়েছে, কলকাতায় কোথায় জল থই থই? শহর তো জলমগ্ন হয়নি৷ তবে, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের আরও গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যও প্রকাশ পেয়েছে৷ কলকাতা পুরসভার মেয়র বলেছেন, বেশি জল ঢাললে বাথরুমেও তো জল জমে৷ কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষকে এমন নানা রকম এবং ধরনের দাবি না করলে কি আর চলে!

কেননা, গত ১৮ এপ্রিল কলকাতা পুরসভার নির্বাচনের জন্য প্রকাশিত তৃণমূল কংগ্রেসের ইস্তাহারে যে এমন দাবিও করা হয়েছিল, তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত কলকাতা পুরসভার পূর্বতন বোর্ড এই মহানগরীর নিকাশি এবং পয়ঃপ্রণালী ব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি বিভিন্ন খাল সংস্কারের ক্ষেত্রে এমন সাফল্য পেয়েছে, তার জন্য প্রবল বৃষ্টিরও জমা জলের বিপত্তি থেকে এই মহানগরীর বাসিন্দারা এখন মুক্ত৷ খুব অল্প সময়ের মধ্যে বৃষ্টির জমা জল সরে যায় কলকাতায়৷ যদিও, বিশেষজ্ঞরা বলেন, কলকাতার আকৃতি গামলার মতো৷ যে কারণে, কয়েক ঘন্টার মধ্যে অতি বৃষ্টি হলে, কলকাতায় জল জমে যাওয়াটাই স্বাভাবিক৷ যে কারণে, বৃষ্টির জমা জল দ্রুত বের করে দেওয়ার বিষয়টি কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষের অন্যতম উদ্দেশ্য হওয়া উচিত৷

একই সঙ্গে এমনও তথ্য রয়েছে, ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী কলকাতায় যদি এক ঘন্টায় ৬০ মিমির বেশি ভারী বৃষ্টি হয়, তা হলে জল জমে যাবে এই মহানগরীর বিভিন্ন অংশে৷ তেমনই আবার, কলকাতায় সারা রাত ধরে যদি টিপ টিপ করে ১০০ মিমি-ও বৃষ্টি হয়, তা হলেও জল জমবে না এখানে৷ কিন্তু, কলকাতার বিভিন্ন অংশে ফের বৃষ্টির জল জমে নাজেহাল হয়েছেন এই মহানগরীর বহু বাসিন্দা৷ কেননা, গত সোমবার রাতে কলকাতার কোনও কোনও অংশে এক ঘন্টায় ৭০ থেকে ১০০ মিমি-র বেশি বৃষ্টি হয়েছে৷ এ দিকে, কলকাতা পুরসভা এলাকায় ৭৩টি পাম্পিং স্টেশন রয়েছে৷ ওই সব স্টেশনে সব মিলিয়ে রয়েছে ৩৫০-এর বেশি পাম্প৷ বৃষ্টির জমা জল ওই সব পাম্পের সহায়তায় সরিয়ে দেওয়ার কথা৷ তা হলে, ফের কেন ডুবল কলকাতার বিভিন্ন অংশ?

এমনও দাবি উঠেছে, কলকাতা পুরসভায় যে সব পাম্প রয়েছে, সে সবের মাধ্যমে বৃষ্টির জমা জল সরিয়ে দেওয়ার জন্য বেশি সময় লাগার কথা নয়৷ তবে, এমনও আবার বলা হচ্ছে যে, কলকাতার বিভিন্ন রাস্তায় নিয়মিত জঞ্জাল পরিষ্কারের কাজ হয় না৷ যে কারণেই হয়তো লজ্জায় জিভ কেটে জঞ্জাল ঢাকবে সিসিটিভি৷ ইস্তাহারে নানা রকম এবং ধরনের দাবি-প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও, মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের এমন মতও আবার প্রকাশ পেয়েছে যে, বেশি বৃষ্টি হলে সমস্যা হয়৷ তাই, কলকাতার কোনও কোনও অংশে নিকাশি নালার কাজ করতে হবে৷ অথচ, ইস্তাহারে প্রকাশিত দাবি থেকে কীভাবে সরে আসা সম্ভব! কাজেই, কলকাতা পুরসভার মেয়রের এমনও মত প্রকাশ পেয়েছে, ভারী বৃষ্টি হলে আগে যেভাবে দিনের পর দিন জলে ডুবে থাকত কলকাতার বিভিন্ন রাস্তা, ওই ধরনের পরিস্থিতি এখন আর নেই৷

যদিও, তৃণমূল কংগ্রেসের ওই ইস্তাহারের সঙ্গে একমত হতে পারেনি রাজ্য কংগ্রেস এবং বিজেপি৷ বরং, ওই দুই দলের ইস্তাহারে সমালোচনা করা হয়েছিল৷ যেমন, কলকাতা পুরসভার গত নির্বাচনের জন্য রাজ্য কংগ্রেসের ইস্তাহারে প্রকাশ পেয়েছিল, বৃষ্টির সময় এখনও কলকাতার বিভিন্ন রাস্তায় জল জমে যায়৷ জলমগ্ন হয়ে পড়ে পার্কস্ট্রিট, ল্যান্সডাউন, বেহালা, যাদবপুরের মতো এলাকাও৷ বৃষ্টিতে কলকাতায় জলমগ্ন হয়ে পড়েন বস্তি এলাকার বাসিন্দারাও৷ অথচ, এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে, দেশি-বিদেশি প্রযুক্তির মাধ্যমে নিকাশি ব্যবস্থার মিথ্যা বুলি আওড়ান মেয়র৷ আদি গঙ্গা, বাগজোলা, কেষ্টপুর সহ বিভিন্ন খালের সংস্কার কেন হয়নি, সেই বিষয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছিল কংগ্রেসের ওই ইস্তাহারে৷

অথচ, কিছুতেই আর কিছু যায় আসে না! কেননা, নিন্দুকেরা যে কেবলই ছিদ্র খুঁজতেই ব্যস্ত! কলকাতাকে লন্ডন বানানোর স্বপ্ন দেখানো হয়েছে৷ কেবলই কি তাই? এমনও দাবি যে,  দিল্লি-মুম্বইকে ছাপিয়ে ১৯৩-টি শহরের মধ্যে সেরা কলকাতা! তার venice.01উপর, ২০২৫-এ কত জল লাগবে কলকাতায়, তার জন্যেও হচ্ছে ব্যবস্থা৷ এবং, কথা কেউ না রাখলেও কলকাতায় হচ্ছে সারমেয়র জন্যেও কবরস্থান৷ অথচ, একই সঙ্গে আবার এমনও বিস্ময়, সুলভে ভেঙে তিলোত্তমাকে টুকরো করার জন্যে রয়েছে পরিকল্পনা৷ তবে, লন্ডন নয়, তিলোত্তমায় কিন্তু বিবিধের মিলনও চাওয়া হয়েছে৷ যে কারণে, ফেসবুকে কলকাতায় টার্গেট করা হয়েছিল ‘স্মার্ট’ জেনারেশন-কে৷ তবে, এমন সব হলেও কী হবে! কিছুতেই আর কিছু যায় আসে না!

সমালোচনা হয়েছিল রাজ্য বিজেপি-র ইস্তাহারেও৷ কলকাতা পুরসভার গত নির্বাচনের জন্য ওই ইস্তাহারে প্রকাশ পেয়েছিল, কলকাতার ঢাল নদীর উল্টোদিকে৷ এই বিষয়টি কলকাতার অন্যতম সমস্যা৷ যে কারণে বৃষ্টির জমা জলকে পাম্প করে সরিয়ে দিতে হয়৷ অথচ, আগের পুরবোর্ডগুলির কর্তব্যে অবহেলার জন্য পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে৷ ওই ইস্তাহারে কলকাতার বিভিন্ন নিকাশি নালার সঙ্গে এই মহানগরীর আশপাশ অঞ্চলের বিভিন্ন খাল সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল৷ একই সঙ্গে ধাপা, পামার বাজার, বালিগঞ্জ সহ বিভিন্ন পাম্পিং স্টেশনের আধুনিকীকরণেরও প্রতিশ্রুতি ছিল৷

তবে, নিন্দুকেরা কেবল-ই ছিদ্র খুঁজে নিন্দা-মন্দ নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও, কিছুতেই যে আর কিছু যায় আসে না! কাজেই, কী-ই-বা আর করার আছে!

এ দিকে, বৃষ্টি-সুখের উল্লাসে তো সকলেই আর মেতে উঠতেও পারেন না৷ অনেক সময় মেতে উঠতে চাইলেও, তা আবার সম্ভবও হয় না৷ তেমনই আবার, কলকাতার কোনও কোনও অংশে বৃষ্টির জমা জলে এমন নোংরা-আবর্জনা মিলমিশে থাকে যে, তাতে আর সুখের উল্লাসও হয় না৷ তবে, উপরি পাওনা হিসেবে, কলকাতায় বৃষ্টির জমা জলে মাছ ধরার সুযোগও মিলে যায়৷

কলকাতা এখন আবার ওয়াই-ফাই শহর৷ অথচ, কী যে মনে করেন নিন্দুকেরা! তাঁরা বলেন কি না, কলকাতা থাকুক কলকাতায়! বুঝুন কাণ্ড৷ লন্ডন বানানোর স্বপ্নকে এ ভাবে কি দুমড়ে-মুচড়ে দেওয়া যায়! কাজেই, নিন্দুকেরা, আপনারা যা খুশি বলতেই পারেন৷ কেননা, সে সব আপনাদেরই কাজ৷ আর, আপনাদের কথা কি আর ধরতে আছে!

কাজেই, ওয়াই-ফাই কলকাতা একদিন ভেনিস-লন্ডন হবে!

=================================================

আরও পোস্ট এডিট:

(১) পুলিশ-মিডিয়া ডাক্তার হওয়ায় সত্যি হচ্ছে আশঙ্কা!
(২) এসএসসি মুক্ত স্বচ্ছ ডিজিটাল ইন্ডিয়ায় ম-ম লাড্ডু
(৩) দাবাং-ভাইঝি ‘বাচ্চা’ হওয়ায় মরে নিরুপমা-কাদম্বিনী
(৪) রামধনুর দীর্ঘ ছায়া বাংলায়!
(৫) ব্লেম গেমে দেশে কি কৃষক কম পড়িয়াছে!
(৬) ছায়াছবির পরবর্তী অংশ বিরতির পর
(৭) আত্মতুষ্টির অবকাশ, না অবকাশের আত্মতুষ্টি!
(৮) তেলেভাজা শিল্প, না শিল্প তেলেভাজা!

=================================================