স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: দেশ ডিজিটাল হচ্ছে। এই বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবার সেই পথেই হেঁটেই দুর্গাপুজোতে জনসংযোগে মন দিল কলকাতা পুলিশ। পুজোর মরশুমে লালবাজারের তরফ সাধারণের জন্য চালু করা হল ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা। যার বিষয় হচ্ছে দুর্গা প্রতিমা।

স্মার্ট ফোন এখন সকলের হাতে হাতে ঘুরছে। অতি গোবেচারা লোকের হাতেও থাকে স্মার্ট ফোন। সে আদতে স্মার্ট হোক বা না-হোক। সাধারণের অর্জিত এই অভ্যাসকেই হাতিয়ার করেছে কলকাতা পুলিশ। একইসঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছে দুর্গাপুজোর মতো অনুষ্ঠানকে।

বর্তমান সময়ে দুর্গাপুজো জনসংযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। নেতা-মন্ত্রী, চলচ্চিত্র তারকা থেকে শুরু করে বড় বড় কর্পোরেট হাউস। সকলেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে মেশার জন্য সামাজিক অনুষ্ঠানকে হাতিয়ার করে থাকে। পশ্চিমবঙ্গের মতো জায়গায় এই জনসংযোগের জন্য দুর্গাপুজোর বিকল্প কিছু হতে পারে না। এবার সেই সুযোগটিকেই কাজে লাগাতে চলেছে লালবাজারের কর্তারা। পুজোর সময় চার থেকে পাঁচ দিন প্যান্ডেল প্যান্ডেল চোখে পড়ে জনসমুদ্র। যাঁদের প্রায় সকলের হাতেই থাকে স্মার্ট ফোন বা ক্যামেরা। দর্শকদের তোলা ছবি নিয়েই ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে কলকাতা পুলিশ। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘লেন্সে লড়াই’। বিজেতাদের জন্য রয়েছে নগদ পুরষ্কার। সেই অংকটাও কিছু কম নয়।

শুধুমাত্র শহর কলকাতার পুজোর প্রতিমার ছবি পাঠাতে হবে ই-মেইল মারফত। সপ্তমী, অর্থাৎ ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুর বারোটা থেকে শুরু হবে লেন্সে লড়াই। যা চলবে ২৯ সেপ্টেম্বর, মানে নবমীর রাত বারোটা পর্যন্ত। এই সময় পর্যন্ত কলকাতা পুলিশের মেইল আইডি kpsocialmediacell@gmail.com-তে ছবি মেল করে পাঠাতে হবে। সপ্তমী থেকে নবমী তিনদিনই পাঠানো যাবে ছবি। তবে এই তিনদিনে মোট তিনটির বেশি ছবি পাঠানো যাবে না। ছবির সঙ্গে প্রতিযোগীর নাম-ঠিকানা-ফোন নম্বর পাঠাতে হবে। একইসঙ্গে দিন-সময়-জায়গা উল্লেখ করতে হবে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে কোনোভাবেই ছবির মধ্যে কোনও প্রকারের কারসাজি করা যাবে না। এই সকল শর্ত মেনে ছবি পাঠালে তবেই মিলবে পুরষ্কার। প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানাধিকারী ব্যক্তি পাবেন যথাক্রমে ২৫,০০০, ২০,০০০ এবং ১৫,০০০ টাকা নগদ পুরষ্কার।

লেন্সের লড়াইয়ের বিজয়ী ব্যক্তি নির্বাচনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তিন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে। যারা হলেন পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী, চলচ্চিত্র পরিচালক শ্রী গৌতম হালদার এবং স্বনামধন্য চিত্রগ্রাহক শ্রী অশোক মজুমদার। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে পুরষ্কার প্রাপকদের নাম। বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেবেন স্বয়ং কলকাতা পুলিশের নগরপাল রাজীব কুমার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.