কলকাতা: সঞ্চিত খাদ্যবস্তু শেষ, বৃদ্ধার বাড়িতে নিজে ১২ দিনের বাজার পৌঁছে দিয়ে এলেন বৌবাজার থানার সার্জেন্ট।

লালবাজার জানিয়েছে, লকডাউনের মধ্যে বেশ খানিক বিপদেই পড়েছিলেন গোপী বোস লেনের বাসিন্দা ভগবতী দে। বয়স ৭২, স্বামী মারা গেছেন আগেই। বাড়িতে একাই থাকেন।

লকডাউনের আগে খুব বেশি রেশন ও খাবার সংগ্রহ করে রাখতে পারেননি তিনি। শরীর ভালো না থাকায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাজার করার মতো অবস্থাও নেই। সঞ্চয় করে রাখা রেশন ও খাবার ফুরিয়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়েই বৌবাজার থানায় যোগাযোগ করেছিলেন ভগবতী দেবী।

খবর পেয়েই সার্জেন্ট সৌরভ দাসের নেতৃত্বে ভগবতী দেবীর বাড়িতে পৌঁছে যায় বৌবাজার থানার বিশেষ টিম। ভগবতী দেবীকে দেখেই বোঝা যাচ্ছিল তিনি অভুক্ত হয়ে আছেন।

দ্রুত তাঁকে নিয়ে আসা হয় বৌবাজার থানায়। সেখানেই তাঁর খাবারের ব্যবস্থা হয়। তারপর ভগবতী দেবীকে ফের পৌঁছে দিয়ে আসা হয় গোপী বোস লেনের বাড়িতে। এরপরে ১২ দিনের মতো চাল, ডাল, তেল, মশলা, আলু-সবজি কিনে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসেন সার্জেন্ট সৌরভ দাস।

ভগবতী দেবী কলকাতা পুলিশের ‘প্রণাম’ প্রকল্পেরও অন্যতম সদস্য। করোনা প্রতিরোধে সবাইকে সুরক্ষিত রাখতেই ঘোষিত হয়েছে ২১ দিনের লকডাউন।

এই অবস্থায় শহরের কলকাতার সমস্ত বয়স্ক সহনাগরিকদের যে-কোনও প্রয়োজনে, বিপদে পাশে থাকার চেষ্টা করছে কলকাতা পুলিশ। আগেই চালু করা হয়েছিল সিনিয়র সিটিজেন হেল্পলাইনের নম্বর: 9830088884

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও