স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: খাস মহানগরে ভুয়ো কল সেন্টার খুলে কোটি কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়াল। এখনও পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা গোয়েন্দা পুলিশ। সেইসঙ্গে কয়েক লক্ষ টাকা, বেশ কয়েকটি ল্যাপটপও একটি মার্সিডিজ গাড়ি উদ্ধার হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, প্রগতি ময়দান থানা এলাকার একটি আবাসন ও প্রতাপাদিত্য রোডের একটি বাড়িতে ভুয়ো কলসেন্টার খুলে চলছিল প্রতারণার কারবার। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মঙ্গলবার দুটি জায়গায় তল্লাশি চালায় কলকাতা গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় ৯ জনকে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবারই গ্রেফতার হয় কলকাতার কুখ্যাত তোলাবাজ শেখ বিনোদ। তাতে জেরা করেই কল সেন্টার খুলে প্রতারণার খবর পায় পুলিশ। তারা জানতে পারে, প্রগতি ময়দান থানা এলাকার একটি আবাসন ও প্রতাপাদিত্য রোডের একটি বাড়িতে ভুয়ো কল সেন্টার খুলে প্রতারণার কারবার চলছে। সেই অনুযায়ী দু’টি জায়গাতেই হানা দেয় পুলিশ।

প্রগতি ময়দান থানা এলাকায় হানা দিয়ে এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম কান্তপ্রসাদ চৌরাশিয়া, ডেভিড জয়সওয়াল, রাজেন্দ্র দ্বিবেদী ও সুরজিৎ বৈষ্ণব। প্রথম দুজন বাগুইহাটি, তৃতীয়জন কসবা ও শেষেরজন পুরুলিয়ার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। অপরদিকে প্রতাপাদিত্য রোডের ওই বাড়িতে হানা দিয়ে পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে।

এদের নাম সন্দীর কুমার সাউ, ফারাদ রাব্বানি, মহম্মদ সোয়েব ইউসুফ, মহম্মদ ইজাজ খান ও শাহানু সিং। এরা প্রত্যেকেই কলকাতার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। এখান থেকে ৬টি ল্যাপটপ, একটি কম্পিউটার ও একটি বিলাসবহুল মার্সিডিজ গাড়ি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। পাশাপাশি ধৃতদের কাছ থেকে নগদ ৪ লাখ ৬ হাজার টাকাও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত ৯ জনকে জেরা করে আরও তথ্য জানার চেষ্টা করছে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা।এই চক্রের কতদূর বিস্তৃত ও কারা জড়িত, খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি আইনে রুজু হয়েছে মামলা।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও