কলকাতা: শহরের বেশ কিছু এলাকায় ফুটপাতবাসীদের অন্ন সংস্থান করছে কলকাতা পুলিশ সাউথ ট্রাফিক গার্ডের আধিকারিকরা। এছাড়া কলকাতা পুলিশ শহরে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে।

শুক্রবার সাউথ ট্রাফিক গার্ডের আধিকারিকরা ধর্মতলা, পার্কস্ট্রীট, রবীন্দ্রসদন এলাকার সহায় সম্বলহীন ফুটপাতবাসীদের জন্য সম্পূর্ণ নিজেদের উদ্যোগে খাবারের ব্যবস্থা করেন। সাউথ ট্রাফিক গার্ডের ওসি কাঞ্চন হাজরাএবং সার্জেন্টরা নিজের হাতে ফুটপাতবাসীদের খাবার তুলে দিলেন। এদিন পুলিশ মেসেই রান্নার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

করোনা সতর্কতায় সারা দেশ জুড়ে যে লকডাউন চলছে তাতে সবচেয়ে বেশি সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে শহরের ফুটপাথে থাকা হতদরিদ্র মানুষদের । এরা কেউ প্রতিবন্ধী, কেউ ভিখারি, অনেকেই মানসিক ভারসাম্যহীন । দোকানপাট, হোটেল সব বন্ধ থাকায় বেশির ভাগ দিন তাদের না খেয়েই দিন কাটছিল। আর যাতে না খেয়ে থাকতে হয়, তার জন্য এগিয়ে এলো মানবিক পুলিশ।

সার্জেন্ট দীপ্তিময় ঘোষ জানালেন, একদিন খেয়ে তো মানুষ বাঁচতে পারে না। তাই যতদিন লকডাউন চলবে ততদিন এদের রান্না করা খাবার দেওয়া হবে। শতাধিক মানুষকে রোজ দুপুরে স্বাস্থ্য সম্মত খাবার দেওয়া হবে ।

শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।তিঁনি বলেন, গরিব মানুষের যাতে খাদ্যদ্রব্য পেতে কোন রকম সমস্যা না সে বিষয়টির প্রতি নজর রাখতে।

এদিন তিঁনি নিজেই কালীঘাট ও আলিপুর চত্বরে ফুটপাতবাসী ও রিকশাওয়ালাদের চাল,ডাল বিলি করলেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এদিন উপস্থিত ছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা, এবং স্থানীয় কাউন্সিলররা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।