কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রীর পদে বুধবার শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এদিনই কলকাতায় ধর্না কর্মসূচি করার কথা ছিল বিজেপির। সেই উপলক্ষে শহরে এসেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা (JP Nadda)। কিন্তু ধর্নার আগের দিন, মঙ্গলবারই কলকাতা পুলিশ রাজ্য বিজেপি সদর দফতরের কাছে জে পি নাড্ডার স্টেজ ভেঙে দিয়েছে বলে অভিযোগ।

৬ মুরলীধর সেন রোডে বিজেপির সদর দফতরে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে ধর্নায় বসার কথা ছিল জে পি নাড্ডার। বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে শুরু হওয়ার কথা ধর্না। ভোট পরবর্তী হিংসা ও তার ফলাফল নিয়ে এই ধর্নার আয়োজন করে বিজেপি। তবে এই ঘটনার পর ধর্না হেস্টিংসের অফিসে অনুষ্ঠিত হবে বলে খবর। দু’দিনের সফরে মঙ্গলবার দুপুরে কলকাতায় আসেন নাড্ডা। বিমানবন্দরের দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি৷ নাড্ডা বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পর যে ঘটনার সাক্ষী থাকলাম, তাতে আমরা হতবাক, আমরা চিন্তিত। দেশভাগের সময় এরকম ঘটনার কথা শুনেছিলাম। ভোটের পর স্বাধীন ভারতে আমরা কখনও এরকম ঘটনা দেখিনি।’ সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা মতাদর্শগত লড়াই এবং তৃণমূল কংগ্রেসের কাজকর্মের বিরুদ্ধে লড়াই করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা গণতান্ত্রিকভাবে লড়াই করতে প্রস্তুত।’

রবিবার ভোটের ফল বেরোনোর পর থেকে বিজেপি-র তরফ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে, রাজ্যে একাধিক জায়গায় তাঁদের দলের কর্মীদের উপর অত্যাচার করা হয়েছে। বেশ কয়েকজনকে খুন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করে গেরুয়া শিবির। সোমবারই রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপির প্রতিনিধি দল। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, আমাদের ৬ জন কর্মীকে খুন করা হয়েছে। জেলায় জেলায় আমাদের কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর হচ্ছে৷ এরপরই ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাজ্যপালকে ফোন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi)। টুইট করে নিজেই সে কথা জানিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় (Jagdeep Dhankar)। ইতিমধ্যেই, ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ে সোমবারই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.