ফাইল ছবি

কলকাতাঃ করোনা সংক্রমণের আবহে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র টুইট করা ভিডিও ঘিরে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়৷ এরপরই কলকাতা পুলিশ পাল্টা টুইট করে৷ বুধবার সন্ধ্যায় কলকাতা পুলিশ টুইট করে জানিয়েছে,বাঙ্গুর হাসপাতালে ভিডিওকারী যুবকের বিরুদ্ধে কোনও মামলা দায়ের হয়নি৷

এই সম্পর্কে ভুল তথ্য পেয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়৷ এম আর বাঙ্গুরের ভিডিও বলে যেটা কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, সেই ভিডিওটি টুইটারে শেয়ার করেছিলেন বাবুল। শুধু তাই নয়, ভিডিওটি আসল না ভুয়ো, সেটা জানানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর চাপ বাড়িয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়। তাতে এক ব্যক্তির গলা শোনা যায়। তিনি দাবি করেন, সেটি বাঙ্গুরের আইসোলেশন ওয়ার্ডের ছবি। সেখানে করোনা সন্দেহে ভরতি ব্যক্তিদের পাশেই কয়েকটি মৃতদেহ পড়ে আছে। তিনি এও দাবি করেন, হাসপাতালে ভরতির পর থেকে কমপক্ষে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। প্রত্যেকেরই শ্বাসকষ্টে মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু মৃতদেহ সরানো হচ্ছে না। সেই ভিডিয়োটি টুইট করেন বাবুল সুপ্রিয়।

ভিডিয়োটি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তদন্তের আর্জি জানান বিজেপি সাংসদ। এর পরই সোমবার রাতে রাজ্যের তরফে নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়, মোবাইলের মাধ্যমে করোনা ছড়াতে পারে। সেজন্য চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী বা রোগী, কেউই হাসপাতালের মধ্যে ফোন নিয়ে ঢুকতে পারবেন না।

 

হাসপাতালে ইন্টারকমের ব্যবস্থা করা হবে। এই নির্দেশিকার পরই টুইট করেন আসানসোলের বিজেপি সাংসদ। টুইটারে বাবুল বলেন, “মাননীয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাসপাতালে মোবাইল নিষিদ্ধ করার বিষয়টি কার্যত প্রমাণ করে দিল, বাঙ্গুর হাসপাতালের ভিডিয়ো ভুয়ো নয় – ধন্যবাদ।

জনপ্রতিনিধি হিসেবে এখন আমি আরও একটা তথ্য নিয়ে এলাম। পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে আমার আর্জি, এই তথ্যটির বিষয়ে হ্যাঁ বা না বলুন। এটা কি সত্যি?” বাবুলের টুইট করা তথ্য ভুল বলে দাবি করেছে কলকাতা পুলিশ৷

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প