কলকাতা: মেটিয়াবুরুজ তৃণমূল বিধায়কের উপর হামলার ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ৷ বাকিদের খোঁজ চলছে৷ শুরু হয়েছে ব্যাপক ধরপাকড়। অন্যদিকে, আক্রান্ত তৃণমূল বিধায়কের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার জল ও বিদ্যুৎ এর দাবিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠে নাদিয়াল থানার কাঞ্চনতলা এলাকা। দীর্ঘ কয়েকদিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত ওই এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। কবে আসবে প্রশাসনের তরফেও কিছু বলা হচ্ছে না। আর সেই দাবিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা৷ কার্যত রণক্ষেত্র চেহারা নেয়। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান মেটিয়াব্রুজের তৃণমূল বিধায়ক আবদুল খালেক মোল্লা৷ রণক্ষেত্র পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে যান স্থানীয় বিধায়ক৷

বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ইটে গুরুতর জখম হন তিনি৷ বর্তমানে তিনি সিএমআরআই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন৷ তাকে দেখতে হাসপাতালে যান মেয়র ফিরহাদ হাকিম৷ ঘটনায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ । ইতিমধ্যে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর । ঘটনার বেশ কয়েকটি CCTV ফুটেজ পেয়েছে পুলিশ । সেই ফুটেজ দেখেই দোষীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে । এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট ।

আমফানের তাণ্ডবের ছয়দিনের মাথায়ও স্বাভাবিক হয়নি কলকাতার একাংশ৷ শহর এবং শহরতলির অনেক জায়গায় নেই বিদ্যুৎ। আর তা না থাকার ফলে শহরের বিভিন্ন অংশে মানুষের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ। চলছে আন্দোলন-বিক্ষোভ। তেমনই নাদিয়াল থানার এই কাঞ্চনতলা এলাকায় ক্রমশ বাড়ছিল ক্ষোভ। মঙ্গলবারও বিদ্যুৎ না আসায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। শুরু হয় রাস্তা অবরোধ।

যদিও এলাকারই একটা অংশে বিদ্যুৎ চলে আসে কয়েকদিন আগেই। ফলে রাস্তা অবরোধ শুরু হতেই অপর অংশের লোকজন আন্দোলনকারীদের উঠে যেতে বলে। আর সেই সময় দুপক্ষের বচসায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক উত্তেজনা। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। নামানো হয় র‍্যাফ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।