ফাইল ছবি

সুভাষ বৈদ্য, কলকাতা: সোমবার বিকেল ৫ টা থেকে শুরু হয়েছে লকডাউন। আইন ভেঙে বাইরে জমায়েত হলেই কড়া ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। এমন বার্তা আগেই দিয়েছিল কলকাতা পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা । লালবাজার সূত্রে খবর, সরকারি বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করায় সোমবার বিকেল পাঁচটা থেকে মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত মোট এক হাজার তিন (১০০৩) জনকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ।

কলকাতা পুলিশের ৯টি ডিভিশনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গ্রেফতার হয়েছে দক্ষিণ বিভাগে। এখানে গ্রেফতারের সংখ্যা ২৭১ জন ।তার পরের স্থানে রয়েছে সেন্ট্রাল ডিভিশন। আর সবচেয়ে কম পূর্ব ডিভিশনে। এখানে গ্রেফতার হয়েছে মাত্র ৮ জন।

এক নজরে দেখে নিন কোন ডিভিশনে কত গ্রেফতার

উত্তর ও উত্তর শহরতলি ডিভিশন- ৯৯ জন । পূর্ব শহরতলি ডিভিশন – ৯৭ জন। সেন্ট্রাল ডিভিশন – ১১৮ জন। দক্ষিণ ডিভিশন – ২৭১ জন। দক্ষিণ – পূর্ব ডিভিশন – ৫৮ জন। দক্ষিণ শহরতলি ডিভিশন- ১৯৮ জন। পূর্ব ডিভিশন – ০৮ জন। দক্ষিণ পশ্চিম ডিভিশন- ৯৯ জন । বন্দর ডিভিশন – ৫৫ জন।

সোমবার লকডাউন চালু হওয়ার পরপরই পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা ট্যুইট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘অনুগ্রহ করে করোনা-সংক্রান্ত সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। নিতান্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরোবেন না। সরকারি বিধি লঙ্ঘন আইনত দণ্ডনীয়। আপৎকালীন প্রয়োজনে ১০০ ডায়াল করুন।’ সোমবার মধ্যরাতে কলকাতা পুলিশ কমিশনার ‌ফের ট্যুইট করে তিনি লেখেন, প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করুন। বাড়িতে ‌থাকুন।আগামী দিনগুলিতেও পুলিশের অভিযান চলবে।

শুধু শহরেই নয়, পুলিশের অভিযান চলে জেলায় জেলায়। লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পরই তৎপর প্রশাসন। রাজ্যের সর্বতর নজরদারি চলছে। বারইপুর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইন্দ্রজিৎ বসুর নেতৃত্বে বারইপুর কাছারি বাজার সহ বিভিন্ন এলাকায় টহল দেন পুলিশ আধিকারিকরা।

নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী দোকান ছাড়া যেসব দোকান ছিল সেগুলো বন্ধে অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল। অযথা বাড়ি থেকে বেড়োবেন না এবং কোথাও জমায়েত না করার পরামর্শ দেওয়া হয় হাবড়া থানার পুলিশের পক্ষ থেকে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার গুরুত্বপূর্ণ যশোর রোডে গাড়ি চালক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের হাতে লিফলেট এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার তুলে দেওয়া হয়।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।