স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : গত বছর মে মাসেও পেট্রোলের দাম কলকাতায় ছিল ৭৩-এর ঘরেই। ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে দাম অধিকাংশ সময়ে ৭৫-এর ঘরে থাকার পর মে মাসে নামে আসে ৭৩এর ঘরে। মূলত ১২ তারিখ পর্যন্ত ২০১৯ সালের কলকাতায় পেট্রোলের দাম ৭৪ থেকে ৭৫-এর মধ্যে ছিল। তবে দাম ক্রমে নামছিল।।

 

মে মাসের ১১ তারিখেও শহরে পেট্রোলের দাম ছিল ৭৪.২১ টাকা, তা ১২ তারিখ নামে ৭৩.৭৯ টাকায়। এরপর থেকে ওঠা নামার মাধ্যমে ৭৩এই ছিল পেট্রোলের দাম, ২০২০ সালেও পেট্রোলের দাম ৭৩এর ঘরেই রয়েছে কিন্তু তফাত হল এপ্রিল মাসের প্রথম দিন থেকে শুরু করে আজ মে মাসের ১ তারিখ সেই একই স্থান থমকে পেট্রোলের দাম। অপরিশোধিত তেলের দাম কমার জন্য যা কমা উচিৎ ছিল, কিন্তু তা হয়নি। প্রসঙ্গত গত এক বছরে শুধুমাত্র ২০২০ সালের মার্চ মাসেই একবার পেট্রোলের দাম এসেছিল ৭৩-এর ঘরে। পরে আরও কমে ৭২ হওয়ার পর এপ্রিল থেকে তা রয়েছে ৭৩এর ঘরেই।

আজ পয়লা মে ২০২০ কলকাতায় পেট্রোলের দাম ৭৩.৩০ টাকা। মুম্বইয়ের দাম ৭৬.৩১ টাকা প্রতি লিটার। দিল্লিতে পেট্রোলের দাম ৬৯.৫৯ টাকা। চেন্নাইয়ে দাম ৭৪.২৫ টাকা। বেঙ্গালুরুতে দাম ৭৩.৫৫ টাকা। যা ৩০ এপ্রিল থেকে একই রয়েছে। কিছুদিন আগে দাম বেড়েছিল অসমে। সেখানে পেট্রোলের দাম বিভিন্ন জেলায় ওঠানামা করেছিল। তবে মেট্রো শহরে দাম একইরকম রয়েছে গত এক মাস ধরেই। অসমে দাম বৃদ্ধির সময়ে সরকারি নোটিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, ‘অসমে দিজেলের জন্য ভ্যাট ফিক্স হয়েছে ২৩.৬৬ পয়সা অথবা প্রতি লিটারে ১৭.৪৫ টাকা, যেটা বেশি হবে তাই ধার্য হবে। অন্যদিকে পেট্রলের জন্য ট্যাক্স এবং অন্যান্য মোটর স্পিরিটের জন্য ৩২.৬৬ পয়সা অথবা ২২.৬৩ প্রতি লিটারে যেটা বেশি হবে তা দিতে হবে”। পেট্রল-ডিজেল সহ অন্যান্য মোটর স্পিরিটের পরিবর্তিত এই দাম এপ্রিলের ২২ তারিখ থেকে কার্যকর হয়। ২১ তারিখ গুয়াহাটিতে পেট্রলের দাম প্রতি লিটারে ছিল ৭৭.৪৭। অন্যদিকে, প্রতি লিটারে ডিজেলের দাম ৭০.৫১ টাকা। সবমিলিয়ে সব রাজ্যেই দাম একই রয়েছে গত এক মাস ধরে, বিশেষ পরিবর্তন হয়নি।

 

এদিকে লকডাউন চলায় দেশে তেলের তেমন প্রয়োজন হচ্ছে না। ফলে তেলের ভান্ডার গুলি এমনিতেই ভরে রয়েছে অর্থাৎ বাস্তবে ওই পরামর্শ মতো তেল কিনে ভবিষ্যতের জন্য মজুত রাখার উপায় নেই। বর্তমানে দেশের প্রায় ৬৬ হাজার ‌ পেট্রোল পাম্পগুলি একপ্রকার কানায় কানায় পূর্ণ রয়েছে।দেশের তিনটি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থার হিসেব জানাচ্ছে, বর্তমানে দেশের তেল শোধনাগারে সাড়ে আট কোটি ব্যারেল তেল‌ সঞ্চিত রয়েছে যা তাদের ধারণ ক্ষমতার‌ ৯৫ শতাংশ।

করোনা ভাইরাস বিশ্বজুড়ে অতি মহামারীর আকার ধারণ করেছে। করোনার থাবা বসেছে মার্কিন মুলুকেও। স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে অর্থনৈতিক কার্যকলাপ। মন্দা যেন গ্রাস করছে গোটা বিশ্বের অর্থনীতিকে। এই অবস্থায় আমেরিকার ফিউচার মার্কেটে তেলের দাম জলের চেয়ে কম হয়ে গিয়েছে। বিশ্বের ইতিহাসে তেলের দামে এত বড় পতন কখনো ঘটেনি।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।