কলকাতা: আন্দোলন আন্দোলনের মতো চলছে, পেট্রোলের দাম চলছে তাঁর নিজের মেজাজেই। এখনও দাম কমার লক্ষণমাত্র নেই। কলকাতায় শুক্রবার পেট্রোলের দাম রয়েছে ৯১ টাকা ১০ পয়সাতেই। ডিজেলের দাম রয়েছে ৮৪ টাকা ২০ পয়সা। ফলে জ্বালানি কিনতে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষের।

কলকাতার মতো অন্য শহরেও দামের অবস্থা একই। চেন্নাইতে ইন্ডিয়ান অয়েল পেট্রোল পাম্পে পেট্রোল বিকোচ্ছে ৯২ টাকা ৯০ পয়সা। ডিজেলের দাম ৮৬ টাকা ৩১ পয়সা। দিল্লিতে পেট্রোল বিকোচ্ছে ৯০ টাকা ৯৩ পয়সা লিটার দরে। ডিজেলের দাম ৮১ টাকা ৩২ পয়সা।

আরও পড়ুন – ওড়িশা ধর্ষণ মামলা: “২২ বছর অনেকটা সময়… বিশ্বাস করতাম আমি ন্যায়বিচারের দাবিদার, আমি এটা পাবই”

মেট্রো শহরের মধ্যে মুম্বইতে পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি ৯৭ টাকা ৩৪ পয়সা। ডিজেলের দাম ৮৮ টাকা ৪৪ পয়সা। বেঙ্গালুরুতেও জ্বালানির দাম আকাশ ছুঁয়েছে। সব মিলিয়ে পেট্রো পণ্যের লাগামছাড়া দামবৃদ্ধিতে মাথায় হাত আমজনতার৷ পেট্রোল-ডিজেলের দাম যেভাবে বাড়ছে তাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করা হচ্ছে৷ সব জিনিসের দামই এবার বেড়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে৷

এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে শুক্রবার ভারত বনধ পালন করতে চলেছে অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স কনফেডারেশন। জানা গিয়েছে, শুক্রবার দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বাজার বন্ধ থাকবে৷ ৮ কোটিরও বেশি ব্যবসায়ী শুক্রবার ভারত বনধে সামিল হবেন৷

আরও পড়ুন – রাজ্যে ৬ হাজার ৪০০ অতিস্পর্শকাতর বুথ, জেলা প্রশাসনকে সতর্ক করল কমিশন

সারা দেশের ব্যবসায়ীরা ভারত বনধের ডাক দেওয়ার মধ্য দিয়ে অবিলম্বে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কাছে জিএসটির নিয়মগুলি পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছে৷ শুক্রবার অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স কনফেডারেশনের ডাকা ভারত বনধে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ৪০ হাজার ব্যবসায়ী সমিতি সামিল হবে বলে জানা গিয়েছে৷

তবে অত্যবশ্যকীয় পণ্য পরিষেবা, ওষুধের দোকান, দুধ ও সবজির দোকান খোলা হচ্ছে। অন্যদিকে ব্যাংক পরিষেবায় এর কোনও প্রভাব পড়বে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।