প্রতীকী ছবি

কলকাতা:  শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি করোনায় আক্রান্ত নয়াবাদের বৃদ্ধার। গত কয়েকদিন ধরে বাইপাশের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে ওই বৃদ্ধের। জানা যাচ্ছে, ডাক্তারদের অক্লান্ত পরিশ্রমে কিছুটা হলেও শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটেছে। যদিও এই মূহুর্তে ভেন্টিলেশনেই রয়েছেন ওই বৃদ্ধ। কোনও ভাবেই ডাক্তাররা রিস্ক নিতে চান না। আর তা চান না বলেই সর্বক্ষণ নজরে রাখা হচ্ছে।

যদিও গত কয়েকদিন ধরে নয়াবাদের ওই বৃদ্ধের অবস্থা সঙ্কটজনক বলে জানা যাচ্ছিল। অবশেষে আসল স্বস্তির খবর। অন্যদিকে তার পরিবারের চার সদস্যকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। এসএসকেএম হাসপাতালে তাদের নমুনা পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি তার এক আত্মীয়কে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে তারা এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে ভর্তি। এতদিন এরা হোম কোয়ারেনটাইনে ছিলেন। প্রতি মুহূর্তে নজরে রেখেছেন ডাক্তাররা। খোঁজখবর রাখছে স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরাও। সূত্রের খবর, নয়াবাদের ওই ব্যক্তির বয়স প্রায় ৬৬। তাঁর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা অনেকটাই কমে গিয়েছিল বলে জানা যায়।

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে জ্বর এবং শ্বাসকষ্ট নিয়েই বাইপাসের ধারে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। ডাক্তারদের সন্দেহ হওয়াতে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা করা হয়। নাইসেডে করোনা পরীক্ষায় ওই ব্যক্তির রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তবে এই ব্যক্তির বিদেশ ভ্রমণের কোনও রেকর্ড নেই। কিন্তু তিনি মেদিনীপুর তার এক আত্মীয় বাড়ির অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বেশ কয়েকজন বিদেশি অতিথি। ইতিমধ্যে ওই বিয়ে বাড়িতে আমন্ত্রিত সবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।