স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বামফ্রন্ট হোক বা বিজেপি, সবক্ষেত্রেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এতদিন সৌজন্যের রাজনীতি করতে দেখেছে বাংলা। কিন্তু এবার শাসকদলের সেই ধারায় উলট পুরাণ দেখা দিল। বৃহস্পতিবার কলকাতা পুরসভায় বেহালার ৯টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের নিয়ে একটু রিভিউ মিটিং ডাকেন মেয়র পরিষদ বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়।

অভিযোগ সেখানে ১২৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাম কাউন্সিলর তথা বিরোধী দলনেত্রী রত্না রায় মজুমদারকে অপমান করেন পুর কমিশনার খলিল আহমেদ। স্বয়ং মমতার প্রতিভূ হয়ে বাম নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে সামান্য সৌজন্যটুকু দেখাননি তিনি।

আরও পড়ুন : রাম মন্দির নির্মাণের দাবিতে সংসদে বিক্ষোভ সেনার

ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে এদিন কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায়কে চিঠি দেন বাম কাউন্সিলর। ঘটনার কথা তিনি মৌখিকভাবে জানান মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও। যদিও ঘটনার কথা শুনে পুর কমিশনারের তরফে মেয়র নিজে বিরোধী দলনেত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন। এবং বিষয়টি নিয়ে তিনি পুর কমিশনারের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান।

মেয়র পরিষদ বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় গীতাঞ্জলি প্রকল্প নিয়ে এদিন একটি মিটিং ডাকেন। সেখানে ৯জন কাউন্সিলরের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। সেই চিঠি পেয়েই মিটিংয়ে যান বিরোধী দলনেত্রী রত্না রায় মজুমদার। তাঁর অভিযোগ, কনফারেন্স হল ১-এ ঢুকতেই পুর কমিশনার খলিল আহমেদ তাঁকে বলেন আপনি এখানে কেন? এখানে তো আপনাকে ডাকা হয়নি। অথচ চিঠিতে পরিষ্কার লেখা আছে কাউন্সিলর মিট। আরও অভিযোগ, মিটিংয়ে তাঁকে ডাকা হয়েছে বলার পর শুধু মাত্র তার নিজের ওয়ার্ড ১২৮-এর কথা শুনেই তাকে মিটিং থেকে চলে যেতে বলা হয়।

আরও পড়ুন : গোষ্ঠীকোন্দলে ম্লান কংগ্রেসের বিজয় উৎসব

বৈশ্বানরবাবুকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি ঘটনার কথা উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, মিটিংটা ছিল বোরো চেয়ারম্যানদের নিয়ে। তাই ওনাকে বলা হয়েছিল। সূত্রের খবর, ঘটনার প্রতিবাদে পুর কমিশনারকে কালো পতাকা দেখানো হবে বিরোধীদের পক্ষ থেকে৷