কলকাতা: করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঁচ পড়েছে কলকাতা মেট্রোতে। বিভিন্ন স্টেশনের কর্মী, চালক, কারশেড এবং সাব-স্টেশনের কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে মেট্রো পরিষেবা সচল রাখা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ট্রেনের সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ।এছাড়া নতুন সময়সূচিও ঘোষণা করা হয়েছে।

নোটিশ অনুযায়ী, ২৬ এপ্রিল থেকে নতুন সময়সূচিতে চলবে মেট্রো। এবার থেকে সোম থেকে শুক্র ২৩৮টি করে মেট্রো চলবে। শনিবার চলবে ১০৯টি ট্রেন। রবিবার আপ ও ডাউনে চলবে ৫০টি করে ট্রেন।চালক সংকটের কারণে আপ ডিরেকশনে ট্রেন চলবে ৮:৫৪ থেকে সন্ধ্যে ৭:০৪ পর্যন্ত। ডাউন ডিরেকশনে ট্রেন চলবে সকাল ৯ টা থেকে ৭:২৮ পর্যন্ত। শনিবার আপ ট্রেনের ক্ষেত্রে ৮:৪০ থেকে সন্ধ্যে ৭:৫০ পর্যন্ত। এবং ডাউন ট্রেনের ক্ষেত্রে ৯:২০ থেকে ৭:৫০ পর্যন্ত ট্রেন চলবে। ৭ থেকে ৮ মিনিটের ব্যবধানে ট্রেন চলবে। রবিবার ১৫ মিনিটের ব্যবধানে ট্রেন চলবে। সকাল ৯ টা থেকে রাত ১০ টা ১০ পর্যন্ত ট্রেন চলবে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, দক্ষিণেশ্বর স্টেশনে এক জন, নোয়াপাড়ায় চার জন, বেলগাছিয়ায় তিন জন সংক্রমিত। ওই স্টেশনে আরও এক জন উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ। এ ছাড়াও গিরিশ পার্ক, মহাত্মা গাঁধী রোড এবং সেন্ট্রাল স্টেশনে এক জন করে, এসপ্লানেডে দু’জন, পার্ক স্ট্রিটে চার জন, ময়দান এবং রবীন্দ্র সদন স্টেশনে এক জন করে, নেতাজি ভবনে ছ’জন, কালীঘাটে পাঁচ জন, রবীন্দ্র সরোবর এবং কবি নজরুল স্টেশনে তিন জন করে সংক্রমিত হয়েছেন।

শিয়ালদা-হাওড়া মিলিয়ে করোনায় আক্রান্ত প্রায় ৬২৪ জন রেলকর্মী। এঁদের মধ্যে চালক, গার্ড এবং অন্যান্য বিভাগের কর্মীরাও রয়েছে। শিয়ালদা ও হাওড়া শাখায় বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন বাতিল হওয়ায় যাত্রীমহলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। প্যাসেঞ্জার ট্রেন বন্ধ হয়ে যাবে, এমন গুজবও ছড়াচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থাবা বসিয়েছে বাংলার ১১, ৯৪৮ জনের শরীরে। তাঁদের মধ্যে ২,৬৪৬ জনই কলকাতার। অর্থাৎ দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে এদিনও প্রথম স্থানে তিলোত্তমা। রাজ্যের মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭,০০, ৯০৪। সংক্রমণের পাশাপাশি দৈনিক মৃত্যুর নিরিখে প্রথম স্থানে কলকাতা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.