স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কোভিড হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা করার পর থেকেই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বন্ধ ছিল আউটডোর-সহ অন্যান্য বিভাগ। এবার আউটডোর পরিষেবা শুরু হতে চলেছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, ৮ জুন, সোমবার থেকে শতাব্দী প্রাচীন মেডিক্যাল কলেজের আউটডোর খুলে যাবে।

গত দেড় মাস ধরে কোভিড ছাড়া অন্য কোনও রোগের চিকিৎসা হচ্ছে না মেডিক্যাল কলেজে। ফলে হেমোটোলজি, ক্যানসার বিভাগে যাঁরা নিয়মিত চিকিৎসা করাতে আসেন তাঁরা সেই সুযোগ পাচ্ছেন না। কার্ডিওলজি, কার্ডিও থোরাসিক ভাসকুলার সায়েন্সও বন্ধ। স্বাস্থ্য ভবনের মতে এসব বিভাগগুলি চালু হলে, বহু রোগী উপকৃত হবেন। এদিকে লকডাউনের কারণে ডাক্তারির চূড়ান্ত স্নাতকোত্তর পরীক্ষা মাঝপথে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহে রাজ্য স্বাস্থ্যবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ফের শুরু হচ্ছে এমডি-এমএসের অসমাপ্ত ফাইনাল পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় প্রতিটি স্নাতকোত্তর পড়ুয়াকে হাসপাতালে ভর্তি চার জন করে রোগীর কেস প্রেজেন্ট করতে হয়।

কিন্তু কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ এপ্রিল থেকেই কোভিড হাসপাতাল হয়েছে। ফলে এখন কোনও বিভাগেই রোগী ভর্তি নেই। ফলে তাঁরা কেস পাবেন কোথায়! পরীক্ষায় কেস প্রেজেন্টেশনের স্বার্থে আউটডোর মারফত ফের রোগী ভর্তির ব্যবস্থা করতে চাইছে মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ।

মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রায় ৩০০ কোভিড আক্রান্ত ভর্তি রয়েছেন। তার উপর আউটডোর খুললেই লম্বা লাইন পড়ে যাওয়ার সম্ভবনা প্রবল। তাই সংক্রমণ এড়িয়ে কী ভাবে আউটডোর খোলা যায় তার পথ বের করতে শনিবার রোগী কল্যাণ সমিতি, বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান এবং আধিকারিকরা বৈঠকে বসেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.