কলকাতা: কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে করোনা সন্দেহে ভর্তি হওয়া রোগীর মৃত্যু। মৃত ব্যক্তি হাওড়ার সলপের বাসিন্দা। মৃতের নাম অজয় মান্না। বয়স ৬৮ বছর। ভর্তির পাঁচদিন পর মৃত্যুর খবর জানতে পারল পরিবার। পরিবারের দাবি, হেল্প লাইনে পাঁচদিন ধরে রোগীর ‘সুস্থ’ থাকার খবর হাসপাতালের তরফে।

এরপর হাসপাতালে এসে মৃত্যুর খবর পায় পরিবার। এখনও মেলেনি হাসপাতালে প্রতিক্রিয়া। পরিবারের দাবি, ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন ওই ব্যক্তি। গত ৯ তারিখ, বৃহস্পতিবার অস্ত্রোপচাররে জন্য তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জ্বর থাকায় করোনা সন্দেহে তাঁকে কোভিড হাসপাতাল এম আর বাঙুরে রেফার করা হয়। কিন্তু বেড নেই জানিয়ে, ওই ব্যক্তিকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সেখানে দুপুর ১টা নাগাদ, অজয় মান্নাকে ভর্তি নেওয়া হয় করোনা সন্দেহে। কোভিড ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষের ঢোকা নিষেধ। তাই রোগীকে দেখতে যেতে পারেননি পরিবারের লোকজন।

কিন্তু অভিযোগ, হাসপাতালের হেল্পলাইনে ফোন করলেই রোগী ভাল আছেন। খাওয়া দাওয়াও করছেন। ঠিক সময়ে ঘুমোচ্ছেনও! কিন্তু মঙ্গলবার, গ্রিন বিল্ডিংয়ের পাঁচ তলায় রোগীর বেডে পৌঁছে যান তাঁর ছেলে। গিয়ে দেখেন, বেড খালি, বাবা সেখানে নেই। পরে জানতে পারেন, ভর্তির দিনই দুপুর ৩টেয় মারা যান ওই ব্যক্তি।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার, এই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেই মৃত্যু হয়েছিল ইছাপুরের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী শুভ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের। দুই সরকারি হাসপাতাল, এক নার্সিংহোমে ঠাঁই না পেয়ে ছেলেকে নিয়ে এখানে এসেছিলেন বাবা-মা। কিন্তু সেখানেও দেরিতে ভর্তি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।

হাসপাতালে ভর্তির কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত হয় ওই তরুণের। এদিকে, কর্মী করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সিল করা হল উলুবেড়িয়া পুরসভা। ৭ দিনের জন্য বন্ধ পুরসভা ভবন। তবে, চালু থাকছে জরুরি পরিষেবা। চলছে জীবাণুমক্ত করার কাজ। আমতায় পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি করোনা আক্রান্ত। তাই বন্ধ আমতা ২ নম্বরের বিডিও অফিস।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.