সুভাষ বৈদ্য, কলকাতা : রবিবার ছুটির দিনেও জমজমাট ভিড় ছিল বাজার। লকডাউনকে উপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমিয়েছেন বিভিন্ন বাজার হাটে। তাতে উদ্বেগ আরও বাড়ছে। অভিযোগ, দমদম থানা এলাকার কুমোরপাড়া বাজারে রবিবার সকালে ছিল মানুষের ভিড়। দোকানগুলোর সামনে ছিল না কোনও সোশ্যাল ডিসটেন্স। কেউ এসেছে শুধু এক আটি লালশাক কিনতে, আবার কেউ এসেছে ঘুরতে। এই অবোধ মানুষগুলোর জন্যই সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ।

শুধু দমদম থানা সংলগ্ন এলাকার বাজারই নয়, শহর এবং শহরতলির একাধিক বাজারের ছবিটা এদিন ঠিক এমনটাই ছিল। দমদম থানা এলাকার কুমোরপাড়ার বাসিন্দার আরও অভিযোগ, রবিবার সকালে ওই বাজারে কোনও পুলিশের দেখা পাওয়া যায়নি। এমনকি পুরসভার কাউকেও দেখা যায়নি মানুষকে সচেতন করতে।

এই বিষয় দমদম থানার আইসি সুবীর রায় জানালেন , প্রশাসনের তরফ থেকে বাজারে বাজারে গিয়ে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে। সোশ্যাল ডিসটেন্স বজায় রাখতে বলা হচ্ছে। এমনকি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বেরোতে না বলা হচ্ছে। তবে অভিযোগ আসলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে স্থানীয় কাউন্সিলর তথা দমদম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান বরুণ নট্ট জানালেন, পুরসভার তরফে এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে, মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে। তারা যেন খুব প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বের হন। বাজারে গিয়ে ক্রেতা এবং বিক্রেতাকে সোশ্যাল ডিসটেন্স রাখতে বলা হচ্ছে। আমি নিজে শনিবার কুমোরপাড়া বাজারে গিয়ে তাদের সচেতন করেছি। তা সত্বেও বলছি, বাজারে বা পাড়ার মোড়ে যাতে একসঙ্গে মানুষ জমায়েত না হতে পারে, সেদিকে পুরসভার নজর থাকবে।

করোনা মোকাবিলায় লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। যাতে মানুষ ঘরের বাইরে না বের হন। কিন্তু কিছু নির্বোধ মানুষ অতি প্রয়োজন ছাড়াই পাড়ার মোড়ে মোড়ে আড্ডা দিচ্ছে। হাটে বাজারে যাচ্ছে। এমন ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠছে। শুধু দমদমের বাজার নয়, রবিবার চিৎপুরে একসঙ্গে অনেক মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে এসেছে। খান্না মোড়েও চলেছে আড্ডা। এই তালিকায় রয়েছে কলকাতাসহ রাজ্যে বহু বাজার হাট পাড়া।