আবুধাবি: অবশেষে ত্রয়োদশ আইপিএলে ব্যাট হাতে রণমূর্তিতে ধরা দিলেন সুনীল নারিন। লিগের সাসপেক্ট বোলিং অ্যাকশন কমিটির থেকে ক্লিনচিট পাওয়ার পর প্রত্যাবর্তন ম্যাচটা স্মরণীয় রাখলেন ক্যারিবিয়ান অল-রাউন্ডার। ওপেনে নেমে নয়, আবুধাবিতে এদিন পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৩২ বলে ৬৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস এল নারিনের ব্যাট থেকে।

সঙ্গে ওপেনার নিতিশ রানার ঝোড়ো ৮১ রানে কলকাতা নাইট রাইডার্স রানের পাহাড়ে চড়ল। টস হেরে এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে স্কোরবোর্ডে ৬ উইকেটে ১৯৪ রান তুলল নাইটরা।

মাত্র ৪২ রানে ৩ উইকেট খুঁইয়ে দিল্লির বিরুদ্ধেও এদিন বেকায়দায় পড়ে যায় নাইট ব্যাটিং লাইন-আপ। ৯ রানে ফেরেন ওপেনার শুভমন গিল। ১৩ এবং ৩ রানে ফেরেন যথাক্রমে রাহুল ত্রিপাঠী এবং দীনেশ কার্তিক।

এরপর শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে হঠাতই মরুঝড়। চতুর্থ উইকেটে মাত্র ৯.২ ওভারে নিতিশ রানা এবং সুনীল নারিনের জুটিতে উঠল ১১৫ রান। মূলত এই জুটিতে ভর করেই লিগ টেবিলে দ্বিতীয়স্থানে থাকা দিল্লির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জমি ফিরে পেল নাইটরা।

শক্তিশালী দিল্লি বোলিং লাইন-আপকে সাধারণ স্তরে নামিয়ে এনে ৩২ বলে ৬৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেললেন নারিন। তাঁর ইনিংসে ছিল ৬টি চার এবং ৪টি ছয়। পাশাপাশি ওপেনে নেমে অ্যাঙ্কর ইনিংসে দলকে বড় রানে পৌঁছে দিলেন নিতিশ রানা।

১৩টি চার এবং ১টি ছয়ে ৫৩ বলে ৮১ রানের ইনিংস এল রানার ব্যাট থেকে। শেষদিকে নেমে ৯ বলে ১৭ রান করলেন অধিনায়ক মর্গ্যান। মূলত নারিন এবং রানার ব্যাটে ভর করেই নির্ধারিত ২০ ওভারে দিল্লিকে ১৯৫ রানের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁড়ে দিল নাইটরা। এখন বোলারদের দিকে তাকিয়ে নাইট অনুরাগীরা।

প্লে-অফের দৌড়ে নিজেদের অবস্থান মজবুত করতে মর্গ্যানের ভরসা এখন বোলাররাই। গত দু’ম্যাচে শতরান হাঁকানো শিখর ধাওয়ান নাইটদের অন্যত মাথাব্যথার কারণ। এছাড়া শ্রেয়স আইয়ার, মার্কাস স্টোইনিসরা তো রয়েছেনই। উল্লেখ্য, আবুধাবিতে শনিবার ডাবল হেডারের প্রথম ম্যাচে টস হারে কলকাতা নাইট রাইডার্স।

টস জিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে প্রথমে ব্যাটিং’য়ের আমন্ত্রণ জানায় লিগ টেবিলে দ্বিতীয়স্থানে থাকা শ্রেয়স আইয়ারের দিল্লি ক্যাপিটালস। এই ম্যাচে নাইট শিবিরে জোড়া পরিবর্তন। ব্যান্টনের পরিবর্তে নারিন এবং কুলদীপের পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পেয়েছেন নাগারকোটি।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।