স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : রবিবার শহরের তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে। অন্তত সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিশেষ না কমলেও বৃষ্টিতে মাটি কিছুটা ঠাণ্ডা হয়েছে। রোদ নেই এবং সঙ্গে অল্প ঠাণ্ডা বাতাস। এতেই আপাতত স্বস্তি মিলেছে। কয়েকদিন আগে প্রায় ১৫ বছরের রেকর্ড ভেঙে চলতি মাসে ৩৯ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল শহরের তাপমাত্রা। রিয়েল ফিল ছাড়িয়েছিল ৪০ ডিগ্রির মাত্রা।

রবিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি ছিল শনিবার। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯১ ও সর্বনিম্ন ৬৫ শতাংশ। কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে মাত্র ৮.৪ মিলিমিটার। সংলগ্ন দমদমে বৃষ্টি হয়নি ও সল্টলেকে ১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়।

শনিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি ছিল শুক্রবার। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯১ ও সর্বনিম্ন ৬২ শতাংশ। কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে মাত্র ৪.৬ মিলিমিটার। সংলগ্ন দমদমে ও সল্টলেকে বৃষ্টি হয়নি। প্রসঙ্গত , এক যুগে সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয় জুন মাসে। এমন বৃষ্টি গত ১২ বছরে দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় হাওয়া অফিস। এই সময়ে স্বাভাবিকের থেকে ১৮ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়। উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম—চারটি অঞ্চলে বাড়তি বৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি এবছর মধ্য ভারতও পেয়েছে ভারী বর্ষন। ভালো বৃষ্টি হওয়ায় উপকার হয়েছে কৃষকদেরও।

খরিফ শস্যের বীজ বপনের তথ্যে নজর রাখলে দেখা যাবে এই মরশুমে ইতোমধ্যে ৩১৫.৬ লাখ হেক্টর জমিতে চাষের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। ধানের বীজ বপন স্বাভাবিকের চেয়ে ৫.৭ লাখ হেক্টর বেশি হয়েছে। পিছিয়ে নেই ডাল, তেলের বীজ এবং তুলোর চাষও। ভারতের আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী ২০০৮ সালের পর ২০২০ সালের জুন মাসে ১৯৬.২ মিমি বৃষ্টি হয়েছে সারা দেশে। ২০০৮ সালে এই পরিমাণ ছিল ২০২ মিমি। সাধারণত জুন মাসে ১৬৬.৯ মিমি-এর আসেপাশে বৃষ্টি হয়ে থাকে। বর্ষাকালের প্রথম মাস জুনের বৃষ্টির পরিমাণই বলে দেয় সে বছর খরিফ শস্য কেমন হবে। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে সারা দেশে ৩৩ শতাংশ ঘাটতি ছিল বৃষ্টির। গত পাঁচ বছরের তুলনায় ২০১৯ সালে সবচেয়ে কম বৃষ্টি হয়েছিল জুন মাসে। এই ঘাটতি থাকার পরও ১৯৯৪ সালের পর ২০১৯ সালের বর্ষায় সবচেয়ে বেশি (প্রায় ১০ শতাংশ) বৃষ্টি হয়েছিল সারা দেশে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ