কলকাতা: করোনায় কলকাতায় আরও এক চিকিৎসকের মৃত্যু৷ মঙ্গলবার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হল তরুণ চিকিৎসক নীতিশ কুমারের৷ বয়স হয়েছিল মাত্র ৩৬ বছর৷ রেখে গেলেন স্ত্রী ও ২ বছরের ছেলেকে৷

জানা গিয়েছে, আরএন টেগোর হাসপাতালের কার্ডিওভাস্কুলার সায়েন্স বিভাগের চিকিৎসক ছিলেন নীতিশ৷ গত মাসে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ওই বেসরকারি হাসপাতালেই ভর্তি হন৷ অনেক চেস্টা করেও তার সহকর্মী চিকিৎসরা তাকে বাঁচাতে পারলেন না৷

এর আগেও শহর কলকাতায় করোনায় চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে৷ কিছুদিন আগে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ওই চিকিৎসকের মৃত্যু হয়৷ তারও আগে করোনা আক্রান্ত হয়ে এ রাজ্যের দুই নামী চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছিল৷

জানা গিয়েছে, মৃত চিকিৎসকের নাম তরুনকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর৷ তিনি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে একজন প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসক ছিলেন৷

হাসপাতাল সূত্রে খবর ছিল, বেশ কিছুদিন আগে থেকেই তার বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়৷ এমনকি জ্বর, শ্বাসকষ্টও ছিল৷ ২৩ জুলাই তার অবস্থার কিছুটা অবনতি হলে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ তার করোনা পরীক্ষা করা হলে,সেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে৷

করোনা মোকাবিলায় প্রথম সারির লড়াইয়ে চিকিৎসক থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যকর্মীরা রয়েছেন৷ প্রায় দিনই তাদের মধ্যে কেউ না কেউ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন৷ তবুও তারা অদৃশ্য শত্রুর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।