ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ফেসবুকে আলাপ। সেখান থেকে প্রেম। তারপর সোজা বিয়ে করে বরকে নিয়ে নিয়ে উঠলেন আর এক বরের বাড়িতে। প্রথম স্বামীর বাড়িতেই নতুন সংসার পাতলেন ওই মহিলা। সিনেমার চিত্রনাট্যকে হার মানায় এমন ঘটনা ঘটেছে বেহালার শিশির বাগানে।

এই ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলার প্রথম স্বামী মনোজিৎ দাস। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত প্রেমিক পরিতোষ মণ্ডলকে আটক করেছে বেহালা থানার পুলিশ। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বেহালার শিশিরবাগানের গৃহবধূ সোমা দাসের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপ হয় কোচবিহারের যুবক পরিতোষ মণ্ডলের। আলাপ থেকে প্রেম। এদিকে, সোমা দাসের বহু বছর আগে বিয়ে হয়েছে।

প্রতিবেশীদের দাবি, স্বামী মনোজিৎ দাস মাটির মানুষ। তার ফলে দাম্পত্য সম্পর্ক দিব্যি চলছিল। বছর ষোলোর এক পুত্রসন্তানও রয়েছে তাঁদের।

ফাইল ছবি

কিন্তু আচমকাই সেই সংসারে পরিতোষ মণ্ডল এসে হাজির হলে সব এলোমেলো হয়ে যায়। সোমার স্বামী জানতে পারেন তাঁর স্ত্রী এবং পরিতোষের ঘনিষ্ঠতার কথা।

কিছু বুঝে ওঠার আগেই কৌশিকি অমাবস্যার দিন বাড়ির পাশে মন্দিরে যান সোমা এবং পরিতোষ। সেখানেই দ্বিতীয়বার বিয়েও করেন সোমা।

অভিযোগ, তারপর থেকেই যুগলে মিলে প্রথম স্বামী মনোজিৎ দাসের উপর অত্যাচার শুরু করে। নানাভাবে মানসিক নির্যাতন করা হয়। অবশেষে শনিবার প্রেমিক পরিতোষ মণ্ডলকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন স্থানীয়রা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.