কলকাতা: ‘বিজেপি যদি ফের একবার জেতে, তাহলে হিন্দু পাকিস্তানে পরিণত হবে ভারত।’ এমনটাই মন্তব্য করেছিলেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। এই মন্তব্যের জেরেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়। সেই মামলার ভিত্তিতে মঙ্গলবার কলকাতার একটি আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরিয়ানা জারি করেছে।

এদিন কলকাতার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট এই পরোয়ানা জারি করেছে। আইনজীবী সুমিত চৌধুরীর করা মামলার ভিত্তিতেই এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

কেরলের এক জনসভায় গত বছর এই বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন শশী থারুর। তিনি বলেছিলেন, ‘২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে যদি বিজেপি জেতে, তাহলে আমাদের গণতান্ত্রিক সংবিধান আর বেঁচে থাকবে না। কারণ তখন ওরা যেটা ইচ্ছে সংবিধানের সেই পাতাটা ছিঁড়ে দেবে আর নতুন করে সংবিধান লিখবে। ওরা সংখ্যালঘুদের সমানাধিকার তুলে দেবে। এর ফলে তৈরি হবে হিন্দু পাকিস্তান। যেটা স্বাধীনতার লড়াইয়ের সময় মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু, সর্দার প্যাটেল, মৌলানা আজাদের মতো মহান নায়কদের কাম্য ছিল না।’

থারুরের এই মন্তব্যের জন্য কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে ক্ষমা চাইতে হবে বলেও দাবি করেছিল বিজেপি। কংগ্রেসের দুবারের লোকসভা সাংসদ দেশের হিন্দুত্বকে অপমান করেছেন বলেও দাবি করেছিলেন বিজেপি নেতা সম্বিত পাত্র।

যদিও অভিযোগ উড়িয়ে তাঁর মন্তব্যকে বিকৃত করে উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও পাল্টা তোপ দাগেন থারুর। তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছিলেন, ‘আমি এটা আগেও বলেছি, আবারও বলব। পাকিস্তান ধর্মীয় রাষ্ট্র হিসেবেই তৈরি হয়েছে। সেখানে সংখ্যালঘুদের সমানাধিকার নেই। এই তত্ত্ব কোনওদিন মানতে চায়নি ভারত। আর বিজেপির হিন্দু রাষ্ট্রের ভাবনা পাকিস্তানেরই প্রতিচ্ছবি।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।