কলকাতা: দৈনিক মৃতের নিরিখে যুগ্মভাবে প্রথম কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা৷ উৎসবের মুখে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে আরও কয়েকটি জেলা৷ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ৷

কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৮০০ করে৷ অর্থাৎ দুই জেলায় মোট আক্রান্ত ১,৫৭৬ জন৷ বাকি ২১ জেলায় ২,২৮৯ জন৷ ফলে বাংলায় মোট আক্রান্ত ৩,৮৬৫ জন৷

শনিবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একদিনে কলকাতায় ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ কাকতালীয়ভাবে উত্তর ২৪ পরগনায়ও সংখ্যাটা একই৷ বাকি জেলায় দৈনিক মৃতের সংখ্যাটা ১০ এর নিচে৷ এই পর্যন্ত কলকাতায় মোট মৃত্যু হয়েছে ১,৯৭১ জনের৷

পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনায় মৃতের সংখ্যাটা বেড়ে ১,৩৫৭ জন৷ দুই জেলা মিলে মোট মৃতের সংখ্যা ৩,৩২৮ জন৷ বাকি ২১ জেলায় ২,৬৬৪ জন৷ ফলে বাংলায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৫,৯৯২ জনের৷ গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭৮৪ জন৷ আর উত্তর ২৪ পরগনায় ৭৯২ জন৷

ফলে কলকাতায় মোট আক্রান্ত ৬৯,০৩১ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনায় আক্রান্তের সংখ্যাটা বেড়ে ৬৩,৯৪২ জন৷ শহরে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটাও বাড়তে বাড়তে এখন ৭,৩৪৯ জন৷ পিছিয়ে নেই উত্তর ২৪ পরগনাও৷ এই জেলায় ৭,০২৫ জন৷ একদিনে বেড়েছে যথাক্রমে ১৬১ ও ১৬০ জন৷

তথ্য বলছে দুই ভাই অর্থাৎ দুই জেলার মধ্যে খুব মিল৷ যে মিল বাংলাকে অতিমারীর দিকে নিয়ে যাচ্ছে৷ তবে কলকাতায় গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬০৮ জন৷ এই পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ৫৯ হাজার ৭১১ জন৷ আর উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে ৬১৭ জন৷ মোট ৫৫ হাজার ৫৬০ জন৷

কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা ছাড়া উদ্বেগ বাড়াচ্ছে আরও কয়েকটি জেলার সংক্রমণ৷ এগুলো হল -হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হুগলি ও দুই মেদিনীপুর৷

এদিনের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, মোট আক্রান্ত যথাক্রমে হাওড়া (২২,০০৭), হুগলি (১৫,৫৬৩), দক্ষিণ ২৪ পরগনায়(২১,১১৬ ),পূর্ব মেদিনীপুর ( ১৩,০৭২) ও পশ্চিম মেদিনীপুর ১১,৯৫২ জন৷ বাকি জেলায় সংক্রমণ ১০ হাজারের নিচে৷

একদিনে যে ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ১৫ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনার ১৫ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৪ জন৷ হাওড়ার ৭ জন৷ হুগলি ৪ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ১ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ৩ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ১ জন৷ নদিয়া ৪ জন৷ মালদা ২ জন৷ জলপাইগুড়ি ২ জন৷ দার্জিলিং ১ জন৷ আলিপুরদুয়ার ২ জন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।