ফাইল ছবি

কলকাতা: বাংলায় মোট মৃত্যু হয়েছে ২,২৫৯ জন৷ এর মধ্যে শুধু কলকাতাতেই মৃত্যু হয়েছে এক হাজারের বেশি৷ মোট আক্রান্ত ৩০ হাজারের বেশি৷ তবে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২২ হাজারের বেশি৷

বৃহস্পতিবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুধু কলকাতাতেই গত ২৪ ঘন্টায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ বুধবার এই সংখ্যাটা ছিল ১৯ জন৷ রবিবার ছিল ২১ জন৷ সেই তুলনায় একদিনে মৃতের সংখ্যা কমেছে৷ কিন্তু রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যার প্রায় ৫০ শতাংশই কলকাতার৷

এই পর্যন্ত শুখু কলকাতাতেই মৃত্যু হয়েছে ১,০১৫ জনের৷ এছাড়া কলকাতাতে গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৬৬ জন৷ বুধবার ছিল৬১৯ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ৭১১ জন৷ সোমবার এই সংখ্যাটা ছিল ৬১৮ জনে৷ তবে এই পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যাটা বেড়ে হয়েছে ৩০ হাজার ৪৭০ জনে৷

বৃহস্পতিবারের তথ্য অনুযায়ী, একদিনে ৩৭ জন কমে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা হল ৬,৫৯৮ জনে৷ বুধবার ছিল ৬,৬৩৫ জন৷ মঙ্গলবারের তথ্য অনুযায়ী,একদিনে ১৮৪ জন কমে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা ছিল ৬,৬১৫ জনে৷ সোমবার ছিল ৬,৭৯৯ জন৷ আর রবিবার ছিল ৭ হাজার ৪১ জন৷

একদিনে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ৬৮৭ জন৷ ফলে এই পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২২ হাজার ৮৫৭ জন৷ বৃহস্পতিবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,বাংলায় একদিনে ফের বাড়ল মৃতের সংখ্যা৷ গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৫৬ জনের৷

বুধবার সংখ্যাটা ছিল ৫৪ জনে৷ তবে এই পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ২,২৫৯ জনের৷ একদিনে আক্রান্ত প্রায় তিন হাজার৷ পরিসংখ্যান অনুযায়ী,২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ২,৯৯৭ জন৷ বুধবারের থেকে বেশি৷ সেদিন ছিল ২,৯৩৬ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ২,৯৩১ জন৷

তবে এই পর্যন্ত রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যাটা ১ লক্ষ ৭ হাজার ৩২৩ জন৷ তবে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা বেড়ে ২৬ হাজার ৪৪৭ জন৷ একদিনে বেড়েছে ৪৪৪ জন৷ ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২৪৯৭ জন৷ বুধবার ছিল ২,৭২৫ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ৩,০৬৭ জন৷

তবে এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৮ হাজার ৬১৭ জন৷ সুস্থ হয়ে উঠার হার বেড়ে হল ৭৩.২৫ শতাংশ৷ গত বুধবার ছিল ৭২.৯৬ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ৭২.৩৯ শতাংশ৷ সোমবার ছিল ৭১.৪৩ শতাংশ৷ রবিবার ছিল ৭০.২৪ শতাংশ৷ অর্থাৎ বাংলায় প্রতিদিনই বাড়ছে সুস্থ হয়ে উঠার হার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।