কলকাতা: শহরে ফের অমানবিক ছবি,১৪ ঘণ্টা ধরে বাড়িতে পড়ে করোনা আক্রান্তের মৃতদেহ৷ ঘটনাটি ঘটেছে বেহালার সাহাপুর মেন রোডে৷ পরিবারের দাবি, গতকাল রাত ১২টায় ষাটোর্ধ্ব গৃহকর্তার মৃত্যু হয়৷ পরিবারের আরও তিনজন করোনা আক্রান্ত৷ এরা হলেন মৃতের স্ত্রী, মেয়ে-সহ আরও ১ জন৷

অভিযোগ, স্থানীয় বিদায়ী কাউন্সিলর ও পুলিশকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি৷ কেউ সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি৷ যদিও কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন৷ তবে ১১৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর জানিয়েছেন, দেহ সৎকারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে। এর আগে শহরে একটি বাড়িতে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পড়েছিল এক বৃদ্ধা৷

কিন্তু করোনা সন্দেহে কেউ তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি বলে অভিযোগ৷ পরে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে৷ রবিবার অমানবিক এই ঘটনাটি ঘটেছিল বাগবাজারের বৃন্দাবন পাল লেনে৷ কার্যত এই খবর শিউরে উঠছেন শহরবাসী। কীভাবে এতটা অমানবিক হতে পারে এই শহর? ভাবতেই পারছেন না অনেকে। জানা গিয়েছিল, বাড়িতে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় প্রায় ৬ ঘণ্টা পড়ে ছিলেন৷

ছায়া চট্টোপাধ্যায় নামে ওই সত্তর বছরের বৃদ্ধা। প্রথমে প্রতিবেশিরা দেখতে পান তাঁকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পড়ে থাকতে৷ কিন্তু করোনা সন্দেহে কেউ তার কাছে যেতে সাহস পান না৷ তবে প্রতিবেশিরা পুলিশকে খবর দেন৷ শেষপর্যন্ত পুলিশ এসে ওই সত্তর বছরের বৃদ্ধাকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করেন৷

স্থানীয় সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন ছায়া দেবী। তাঁর পায়ে একটি সংক্রমণ ছিল৷ সেটা থেকেই সম্ভবত অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে অনুমান৷ তবুও করোনা সন্দেহে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়৷ করোনা রোগীকে অসহযোগিতার ছবি রাজ্যের একাধিক জায়গায়৷ তার আগেও কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর পর সেই মৃতদেহ দুদিন ধরে বাড়িতেই পড়েছিল বলে অভিযোগ৷

coronavirus_death

মৃত্যুর প্রায় ৪৪ ঘণ্টা ধরে পড়েছিল আমর্হাস্ট স্ট্রিটে একটি আবাসনে করোনা আক্রান্তের মৃতদেহ। মৃত্যুর পর থেকে পরিবার একবার থানা একবার স্বাস্থ্য ভবন, একবার কলকাতা পুরসভা এইভাবে একাধিক জায়গায় যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন দেহ সংরক্ষিত করার জন্য৷ কিন্তু কোন জায়গা থেকে সাহায্য মেলেনি বলে অভিযোগ৷ দু’দিন পরে কলকাতা পুরসভার উদ্যোগে দেহ উদ্ধার হয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।