কলকাতা: দ্বিতীয় করোনা আক্রান্তের বাড়িতে ছিল ছয় সদস্য। এর মধ্যে রয়েছেবন বয়স্ক দাদু-দিদাও। তাই তাঁদের ঘিরেই তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। তাঁদের নিয়ে গিয়ে বেলেঘাটা আইডি-তে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার সকালে কলকাতায় আরও এক করোনা আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। তিনি বালিগঞ্জের এক আবাসনের বাসিন্দা। লন্ডন থেকে ফেরার পর ছিলেন হোম কোয়ারেন্টাইনে। তাঁর পরিবারে রয়েছেন ভাই, বাবা, মা। তাঁদের বাড়িতেই আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

কিন্তু দাদু ও দিদার বয়স ৬০-এর উপরে। দিদার শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। তাই তাঁদের অবিলম্বে বেলেঘাটায় নিয়ে যাওয়া হয়।

গত ১৩ মার্চ লন্ডন থেকে কলকাতায় ফেরেন ওই তরুণ। এরপর থেকে ছিলেন হোম কোয়ারেন্টাইনে। এরপর তাঁর শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দেওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোয়াব টেস্টে তাঁর শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি দেখা গিয়েছে। নাইসেডের তরফ থেকে এই খবর জানানো হয়েছে।

১৩ তারিখ লন্ডন থেকে দিল্লি হয়ে কলকাতা আসেন এই তরুণ। দিল্লিতে ঘণ্টা দেড়েক ছিলেন। এরপর আসেন কলকাতায়। ১৬ তারিখ থেকে শুরু হয় সর্দি কাশি। ১৭ তারিখে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জানা যায়, তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ।

এর আগে গত মঙ্গলবার কলকাতায় আরও এক করোনা আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায়। তিনিও লন্ডন থেকে ফিরেছিলেন। বর্তমানে তিনি বেলেঘাটা আইডি-রে ভর্তি। তাঁর মা রাজ্য সরকারের এক উচ্চপদস্থ আমলা বলে জানা গিয়েছে। তাঁর বাবা-মা’কেও আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

এদিকে, রাস্তাঘাটে অফিস ফেরত যাত্রীদের ভিড় কমাতে সরকারি কর্মীদের আগেভাগে ছুটি দেওয়ার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ”অফিস হালকা করতে চাই। বিকেল ৪ পর্যন্ত রোস্টার করে দেওয়া হবে। ১০ থেকে সাড়ে ৫ টা নয়, ৪টের মধ্যে ছুটি করে দেব। যাতে একই সময়ে বাসে, রেলস্টেশনে ভিড় বেশি না হয়। বাড়ি কিন্তু অনেক নিরাপদ। আপনারা সকলে ভালো থাকলে রাজ্যটা ভালো থাকবে। এই দু’সপ্তাহ সতর্ক থাকতে হবে।”