কলকাতা: কলকাতা থেকে বেঙ্গালুরগামী বিমানের উইন্ড শিল্ডে চিড়৷ তড়িঘড়ি জরুরি অবতরণ করানো হয় বিমানের৷ চালক প্রথম এই চিড় দেখতে পান৷ মূলত তাঁরই তৎপরতায় রক্ষা পেল বিমানটি৷
বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল যাত্রীবাহী বিমান। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সকালে দমদম বিমানবন্দরে। বিমানবন্দর সূত্রে খবর, এদিন সকাল ৯.‌৪১ মিনিট নাগাদ কলকাতা থেকে বেঙ্গালুরুগামী বিমানটি রওনা দেয়।

সকাল ১০.‌১৫ মিনিট নাগাদ বিমান মাঝ আকাশে থাকার সময় হঠাৎই পাইলট লক্ষ্য করেন বিমানের উইন্ডশিল্ডে চিড় ধরেছে। তৎক্ষণাৎ তিনি এটিসি–তে খবর দেন। যাত্রীবোঝাই হওয়ায় কোনওরকম ঝুঁকি না নিয়ে বিমান তৎক্ষণাৎ ফেরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

এরপর সকাল ১০.‌৩৪ মিনিট নাগাদ দমদম বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে কলকাতা–বেঙ্গালুরুগামী বিমানটি। সব যাত্রীরাই সুরক্ষিত আছেন বলে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে। তাঁদের নিরাপদে বের করে আনা হয়।

কেন এই ঘটনা ঘটল তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এর আগে, ৬ই মে বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে বরাত জোরে রক্ষা পায় সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি বিমান। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার আগের মুহূর্তে ল্যান্ডিং গিয়ারে সমস্যা দেখা দেয়।

বাধ্য হয়ে এটিসির কাছে জরুরি অবতরণের অনুমতি চান পাইলট। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, রাত ১১টা ২১ মিনিটে বিমানটি জরুরি অবতরণ করে। বিমানের সামনের চাকার ল্যান্ডিং গিয়ারে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। ল্যান্ডিং গিয়ার ঠিকমত কাজ করছিল না। সাথেসাথেই অনুমতি পেয়ে যান পাইলট।

অবতরণের পরেও দেখা গেছে সামনের চাকার নোজ হুইলের হাইড্রলিক ফুয়েল রানওয়েতে ছড়িয়ে পড়েছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় দমকলের গাড়ি থেকে শুরু করে অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। যদিও দক্ষতার সঙ্গেই বিমানে নিয়ে নির্বিঘ্নে অবতরণ করেন পাইলট। সেইসময় ২০০ জন যাত্রী ছিল বলেও জানা গেছে।

সবাইকে অক্ষত দেহে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়। তবে অবতরণের পরেও দীর্ঘক্ষণ বিমানে আটকে থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন যাত্রীরা।