কুলতলী: ভয়াল ঘূর্ণিঝড় আমফানের দাপটে তছনছ হয়ে গিয়েছিল সুন্দরবনের একাধিক গ্রাম। কোথাও বাড়ি-ঘর ভেঙে কোথাও আবার নদীবাঁধ ভেঙে বিপত্তি বাড়ে। প্রাকৃতিক ওই বিপর্যয়ের পর সরকারি ত্রাণ মিললেও প্রয়োজনের তুলনায় তা নিতান্তই কম বলে দাবি বাসিন্দাদের। এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলির পাশে দাঁড়াতে তৎপর হয় দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি সংস্থা।

সম্প্রতি সুন্দরবনের কুলতলীর শ্যামনগর গ্রামে গিয়েছিলেন সংস্থার কর্ণধার-সহ বেশ কয়েকজন আধিকারিক। ভয়াল আমফানে লণ্ডভণ্ড পরিস্থিতি গোটা গ্রামের। প্রবল ঝড়ে বহু কাঁচাবাড়ি ভেঙে পড়েছে গ্রামটিতে। আড়াইশোরও বেশি কাঁচাবাড়ির খড় বা টিনের চাল উড়ে গিয়েছে।

নতুন করে ঘর সারাবার পয়সা নেই। খবর পেয়েই তৎপরতা নেয় দক্ষিণ কলকাতার বেসরকারি সংস্থা গ্লোবাল বিজনেস সলিউশনস। সংস্থার কর্ণধার উত্তমকুমার নায়েক-সহ বেশ কয়েকজন কর্মী পৌঁছে যান কুলতলীর শ্যামনগর গ্রামে।

ঝড়ে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ১২০টি পরিবারকে চিহ্নিত করা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির হাতে ত্রিপল তুলে দেওয়া হয় সংস্থার তরফে। সংকটের এই সময়ে বেসরকারি সংস্থার এই সহায়তায় যারপরনাই খুশি এলাকার বাসিন্দারা।

শুধু সুন্দরবনই নয়, লকডাউন চলাকালীন দক্ষিণ কলকাতার তারাতলা, মাঝেরহাট, বেহালা, ঠাকুরপুকুর, কবরডাঙ্গা চত্বরে বহু গরিব মানুষকে খাবার বিলি করে সংস্থাটি। প্রায় সাড়ে তিনশো পরিবারের হাতে ৫ দিনের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য-সমগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I