কলকাতা : প্রচুর প্ল্যান। বন্ধুদের সাথে স্কুলে যাওয়া, আড্ডা মারা, খাওয়া দাওয়া। সরস্বতী পুজো নিয়ে বেশ উৎসাহী থাকে কচিকাঁচারা। কিন্তু এবার বাধ সেধেছে করোনা। ২০২১ সালের সরস্বতী পুজো তাই অন্য বছরের তুলনায় বেশ অনেকটাই আলাদা। নিয়ম মেনে স্কুল খুললেও সরস্বতী পুজোয় তারা কতটা আনন্দ এবার করতে পারবে, তা নিয়ে সন্দেহ থাকছে।

করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বেশ কিছু নিয়ম জারি করা হয়েছে সরস্বতী পুজোকে কেন্দ্র করে। সব পড়ুয়া এবার স্কুলে যেতে পারবে না। নিউ নর্মাল সরস্বতীর পুজোর চেনা ছবি তাই অনেকটাই আলাদা হবে। জানানো হয়েছে সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত কোনও পড়ুয়া যেতে পারবে না। তবে নবম ও একাদশ শ্রেণীর পড়ুয়ারা ছোট ছোট দলে ভাগ করে নির্দিষ্ট করে দেওয়া সময়ে ঘুরে আসতে পারবে স্কুল থেকে। তাদের ওই টিমগুলিকে আলাদা আলাদা দায়িত্ব দেওয়া থাকবে।

পুজোয় ফুল দিয়ে অঞ্জলি দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। মাইক্রোফোন ব্যবহার করতে হবে মন্ত্রোচ্চারণের সময়ে। পুরোহিতের থেকে দর্শনার্থীরা দূরত্ব বজায় রাখবে। স্কুলে করোনা বিধি মানা হচ্ছে কীনা, তা নজরে রাখবেন শিক্ষক শিক্ষিকারা।

এদিকে, স্কুল খুলে গিয়েছে বেশ কয়েকদিন। ১১ মাস পর ১২ ফেব্রুয়ারি ফের খুলেছে স্কুল৷ কিন্তু বদলে গিয়েছে স্কুলের সেই চেনা পরিবেশ৷ প্রত্যেককে করোনাবিধি মেনে স্কুলে আসতে হয়েছে৷ বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে দেখা গিয়েছে ক্লাসে একসঙ্গে বসে টিফিন খাওয়ার সেই চেনা ছবিটা নেই৷ বদলে গিয়েছে টিফিনের মেনু৷ একটি বেঞ্চে মাত্র একজন ছাত্র৷ প্রত্যেকের মুখে মাস্ক, টেবিলে স্যানিটাইজার৷ কোথাও আইসোলেশন রুমের ব্যবস্থা৷ কোথাও আবার দু’টি শিফটে ক্লাস৷ স্কুল খোলার দিন ছিল বামেদের বাংলা ধর্মঘট৷ তবুও স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের হাজিরা ছিল প্রায় ১০০ শতাংশ৷ তবে বেসরকারি স্কুলে হাজিরার হার একটু কম ছিল।

করোনার সংক্রমণের কথা মাথায় রেখে আপাতত নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাস চালু করা হয়েছে। বাকি ক্লাসগুলি চালু করা নিয়ে পরবর্তী সময়ে চিন্তাভাবনা করা হবে। আপাতত এই চারটি শ্রেণি নিয়ে স্কুলে স্কুলে ক্লাস শুরু। সংক্রমণ ছড়ানো রুখতে একগুচ্ছ নিয়ম জারি করেছে স্কুল শিক্ষা দফতর। সেই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, স্কুলে পড়ুয়াদের দূরত্ববিধি মেনে চলতে হবে। ছাত্রছাত্রীদের মাস্ক পরে স্কুলে আসতে হবে। প্রত্যেকের কাছে স্যানিটাইজার রাখতে হবে।

স্কুল চত্বরের কোথাও কোনও জমায়েত করা চলবে না। একসঙ্গে দাঁড়িয়ে গল্প করাও যাবে না। ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি কোভিড প্রোটোকল মেনে চলতে হবে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সব শিক্ষাকর্মীদেরও। স্কুলে পড়ুয়ারাই শুধু ঢুকবে। অভিভাবকদের স্কুলে ঢোকার ক্ষেত্রে এখনই অনমুতি মিলবে না। এরই পাশাপাশি স্কুলে আসা কোনও পড়ুয়ার করোনার উপসর্গ দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। স্কুলকে করোনামুক্ত রাখতে নিয়মিতভাবে স্যানিটাইজ করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।