স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : আলিপুর আবহাওয়া দফতর থেকে জানা গিয়েছে, নিম্নচাপটির অবস্থান উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে হওয়ার ফলে সমুদ্র উত্তাল হবে। তাই আগামী ৪৮ ঘণ্টা মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ওই নিম্নচাপের প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের বেশির ভাগ এলাকায় বৃষ্টি হবে। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিও হতে পারে। এই পরিস্থিতি চলবে দু’তিন দিন।

রবিবার রাত থেকে দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে কলকাতার বেশ কয়েকটি জায়গায়। তবে, বৃষ্টি হলেও বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকার ফলে অস্বস্তি হচ্ছে বেশ। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এখনও স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। তবে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমান কমেনি। সর্বোচ্চ ৯৭ শতাংশ , সর্বনিম্ন ৭৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে ৯.৫ মিলিমিটার। রাত সাড়ে আটটা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমান ৮.৯ মিলিমিটার। দমদমে ০.৯ ও সল্টলেকে ১.১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।

গত সপ্তাহে গরমে জেরবার হয়েছে গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বর্ষার সেই চেনা ছবি বদলে গিয়ে বৃষ্টি একেবারে উধাও হয়ে গিয়েছিল শহর থেকে। গত কয়েকদিন ধরে ঘেমেনেয়ে পরিশ্রান্ত হয়ে যাচ্ছিলেন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দরা। মাঝেমধ্যে কালো মেঘ দেখা গেলেও বৃষ্টির দেখা মিলছিল না একেবারেই। শনিবার রাত থকে বৃষ্টি হওয়ায় খানিকটা স্বস্তি পেয়েছে শহরবাসী। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গ তো বটেই, গোটা রাজ্যেই আপাতত সক্রিয় থাকবে বর্ষা।

এদিকে হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, বৃহস্পতিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত হিমালয় সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করবে সক্রিয় মৌসুমী অক্ষরেখা। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগর থেকে আসা জ্বলীয় বাষ্পের পরিমান ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় উত্তরে ফের বাড়বে বৃষ্টি। ৯ জুলাই থেকে ১২ জুলাই ভারী বৃষ্টির সতর্কতার মধ্যে টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস মিলছে দার্জিলিং, কালিম্পঙে। অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে জলপাইগুড়িতে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারেও বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। ৭০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হতে পারে কোচবিহারে। আলিপুরদুয়ারেও ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হতে পারে। মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ভুটান পাহাড়ে বৃষ্টি হলে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা রয়েছে। তিস্তা ব্যারাজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে জলপাইগুড়ি প্রশাসন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ