কলকাতা: কিছুতেই কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগণা জেলায় করোনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না৷ গত ২৪ ঘন্টায় এই দুই জেলায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ বাকি ২১ জেলায় শূন্য৷

বুধবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন (state health department)৷ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী,একদিনে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত (COVID-19)হয়েছেন ১৩৩ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ১৫১ জন৷ সোমবার ছিল ১৩৩ জন৷ সব মিলিয়ে বাংলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লক্ষ ৭৩ হাজার ১২ জন৷

করোনা আক্রান্ত জেলাগুলোর মধ্যে সংক্রমণ ও মৃত্যুতে প্রথম থেকেই প্রথম স্থানে রয়েছে কলকাতা৷ দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগণা৷

শুধু শহরে গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪ জন৷ তারফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ২৮ হাজার ৬৭৫ জন৷ অন্যদিকে একদিনে মৃত্যু হয়েছে একজনের৷ মোট মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ৯২ জন৷ তবে মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন এক লক্ষ ২৪ হাজার ৫১৮ জন৷ তবে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা কমে ১,০৬৫ জন৷

অন্যদিকে দ্বিতীয় স্থানে থাকা উত্তর ২৪ পরগণায় একদিনে আক্রান্ত ৩৫ জন৷ মোট আক্রান্তের সংখ্যাটা ১ লক্ষ ২২ হাজার ৬২০ জন৷ আর গত ২৪ ঘন্টায় এক জনের মৃত্যু হয়েছে৷ মোট মৃতের সংখ্যা ২,৪৯৮ জন৷ মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন এক লক্ষ ১৯ হাজার ১৪৭ জন৷

রাজ্যে একদিনে মৃত্যু হয়েছে ২ জনের৷ সোমবার ছিল ১ জন৷ রবিবার ছিল ২ জন৷ তারফলে বাংলায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ হাজার ২৩৭ জন৷

তবে চিন্তা বাড়াচ্ছে মৃত্যুহারও ৷ ১৬ ফেব্রুয়ারির তথ্য অনুযায়ী, বাংলায় মৃত্যু হার ১ দশমিক ৭৯ শতাংশ৷ তবে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীনের সংখ্যাটা কমে মাত্র ৫৮৯ জন৷ হোম আইসোলেশনে ৩ হাজার ২৬১ জন৷ আর সেফ হোমে রয়েছেন মাত্র ৪ জন৷

বাংলায় গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৪৯ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ২৫৫ জন৷ সোমবার ছিল ২৫৮ জন৷ সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫ লক্ষ ৫৯ হাজার ৩৯ জন৷ আর সুস্থতার হার বেড়ে ৯৭.৫৬ শতাংশ৷

একদিনে টেস্ট হয়েছে ১৪ হাজার ৩১ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ১৯ হাজার ৩৫১টি৷ সোমবার ছিল ১৫ হাজার ৫৩২ টি৷ ফলে মোট করোনা টেস্ট হয়েছে ৮৩ লক্ষের বেশি৷ তথ্য অনুযায়ী ৮৩ লক্ষ ৪৯ হাজার ২৮১টি৷ ফলে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৯২,৭৭০ জন৷

অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা কমে ৪ হাজারের নিচে৷ তথ্য অনুযায়ী,৩ হাজার ৭৩৬ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ৩ হাজার ৮৫৪ জন৷ সোমবার ছিল ৯৬০ জন৷ অক্টোবর ২০২০ তে করোনায় অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা ৩৭ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছিল৷ তিনমাস পর সেই সংখ্যাটা কমে ৪ হাজারের নিচে নেমে এল৷ যা বাংলার স্বস্তি৷

এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ১০৩ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

বি: দ্র: – প্রতিদিন সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন থেকে যে বুলেটিন প্রকাশিত হয়,সেখানে আগের দিন সকাল ৯ টা থেকে বুলেটিন প্রকাশিত হওয়ার দিন সকাল ৯ টা পর্যন্ত তথ্য উল্লেখ করা হয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।