স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: সকাল গড়িয়ে দুপুর৷ বদলে গেল মালদহের ভোট চিত্র৷ শান্তিপূর্ণ পরিবেশের পরিবর্তে গোটা জেলাজুড়েই অশান্তির বাতাবরণ৷ কোথাও তৃণমূলের বিরুদ্ধে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ, আবার কোথাও তৃণমূল যুব নেতার বিরুদ্ধে ভয় দেখানোর অভিযোগ বিরোধীদের৷ একই অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধেও৷ শাসক দলের চোখ রাঙানি থেকে বাদ পড়লেন না কংগ্রেস প্রার্থীও৷

আরও পড়ুন: ভোট দিয়ে আদবানি বললেন, ‘‘জিত হামারি হোগি ’’

ভোটের দিনে মালদহে শাসক তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলছে বিরোধী কংগ্রেস৷ উত্তর মালদহ লোকসভার অন্যতম রতুয়া৷ এখানেই বিভিন্ন বুথে সন্ত্রাস তৈরির অভিযোগ তৃণমূলের যুব নেতা মহম্মদ ইয়াসিনের বিরুদ্ধে৷ কংগ্রেস প্রার্থী ইশা খান চৌধুরী এই অভিযোগ করেন৷

এদিন শাসর দলের যুব নেতার বিরুদ্ধে কমিশনের কাছে অভিযোগও জানানো হয় কংগ্রেসের তরফে৷ তবে এর আগেও কংগ্রেস তৃণমূল যুব নেতা মহম্মদ ইয়াসিনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অভিযোগ তোলে৷

আরও পড়ুন: জঙ্গিপুরে বুথ দখলে বাঁধা, শাসকদলের হাতে নিগৃহীত পোলিং অফিসার

গত ১৮ এপ্রিল উত্তর মালদহের প্রার্থী মৌসম নুরের সমর্থনে সামসিতে সভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সেখানেই সভামঞ্চে ছিলেন মঞ্চে ছিলেন মহঃ ইয়াসিন৷ সেদিনই ভোটে সন্ত্রাসের আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য৷ তিনি বলেছিলেন, ‘‘ভোটে সন্ত্রাসের জন্যই সমাজ বিরোধী ইয়াসিনকে নিয়ে সভা করছেন তৃণমূল নেত্রী৷’’ হাত শিবিরের দাবি সেদিনের মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া সম্মানের প্রতিদান এদিন দিলেন ইয়াসিন৷

১৮ এপ্রিল সামসিতে মুখ্যমন্ত্রীর সভায় ইয়াসিন

 

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অবশ্য উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের যুব নেতা মহম্মদ ইয়াসিন৷ তিনি বলেন, ‘‘কংগ্রেসের লোকবল নেই৷ বুথে এজেন্ট দিতে পারে নি৷ তাই হেরে যাবে জেনেই এসব অভিযোগ করা হচ্ছে৷’’

অন্যদিকে, রতুয়ার দুর্গাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ৮৬ নম্বর বুথ একজনের ভোট দিতে দেথা যায় অন্যজনকে৷ কেন্দ্রীয় বাহিনী ও প্রিজাইডিং অফিসারের সামনেই রমরমিয়ে চলতে থাকে এই বেআইনি কারবার৷ প্রিজাইডিং অফিসার নওশাদ আলিকে এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলেও তিনি নিরুত্তর থাকেন৷

আরও পড়ুন: ভিভিপ্যাট মেশিনে সুখনিদ্রায় সাপ, আর তারপর…

রতুয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উত্তর মালদার প্রার্থী ইশা খানকে দেখে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে তৃণমূল সমর্থকরা। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ৷ পরে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে৷