নয়াদিল্লি: তিনিও আধুনিক ক্রিকেটের ব্যাটিং গ্রেট। কিন্তু কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকরের সঙ্গে তাঁর তুলনা অনেকেরই না-পসন্দ। কেউ কেউ তো আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে বিরাট কোহলিকে মাস্টার-ব্লাস্টারের চেয়ে এগিয়ে রাখতেও দ্বিধা করেন না। কিন্তু কেরিয়ারের শেষ অবধি ব্যাট হাতে নিজের মেজাজ, আগ্রাসন ধরে রেখে কী সচিনকেও ছাপিয়ে যাবেন বিরাট? সেটা সময়ই বলবে। তার আগে ইদানিং সময়ে দুই ভিন্ন প্রজন্মের ব্যাটিং গ্রেটের মধ্যে তুলনা করতে গিয়ে দু’জনের আচরণগত পার্থক্যের হদিশ দিলেন পাক কিংবদন্তি ওয়াসিম আক্রম।

‘সুইং অফ সুলতান’ পার্থক্য বোঝালেন বোলারদের বিরুদ্ধে দুই ব্যাটসম্যান কেমন আচরণ করেন সে ব্যাপারে। আক্রমের কথায়, বোলারের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিরাট এবং সচিনের রিঅ্যাক্ট সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রাক্তন বাঁ-হাতি পেসারের কথায় বোলার স্লেজিং করলে মেজাজ হারিয়ে ফেলে বিরাট, যা তাঁর উইকেট তুলে নিয়ে কখনও কখনও সাহায্য করে বোলারকে। পক্ষান্তরে সচিন এমন একজন ব্যাটসম্যান ছিলেন, যাকে স্লেজিং করলে সে আরও বেশি সংযত হয়ে যেত ক্রিজে।

আকাশ চোপড়ার ইউ টিউব চ্যানেলে আড্ডার মাঝে আক্রম বলেন, ‘বিরাট আধুনিক ক্রিকেটের ব্যাটিং গ্রেট। সচিনের সঙ্গে তুলনায় গেলে আমি বলব সবমিলিয়ে দু’জনে সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘরানার ব্যাটসম্যান। ব্যক্তি হিসেবে, ব্যাটসম্যান হিসেবে বিরাট সবসময় আগ্রাসী। তুলনায় সচিন অনেকটা শান্ত তবু আগ্রাসী। দু’জনের শরীরী ভাষা সম্পূর্ণ ভিন্ন। একজন বোলার হিসেবে তুমি সেটা ভালো বুঝতে পারবে।’

আক্রমের সংযোজন, ‘আমি ভুল হতে পারি কিন্তু আমার মনে হয় কোনও বোলার সচিনকে স্লেজিং করলে ও আরও সংযত আচরণ করত। কিন্তু আমি যদি কোহলিকে একইভাবে স্লেজিং করি তাহলে ও মেজাজ হারিয়ে ফেলবে। আর একজন ব্যাটসম্যান রেগে গেলেই আক্রমণের পথ বেছে নেবে। ঠিক তখনই তাঁকে আউট করাটা অনেক বেশি সহজ হবে।’

বিরাটের ব্যাটে সচিনের রেকর্ড ভাঙার প্রসঙ্গ উঠতে পাক কিংবদন্তি বলেন, আমার মনে হয় না বিরাট সচিনের সব রেকর্ড ভাঙতে পারবে। ওয়ান-ডে শতরানের নিরিখে সচিনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে ও। কিন্তু সচিনের অন্যান্য অনেক রেকর্ড কোহলি ভাঙতে পারবেন বলে মনে করেন না আক্রম। তাঁর কথায়, ‘আমি তুলনায় যেতে চাই না। বিরাট কোহলি অনেক দূর যাবে এবং অনেক রেকর্ড ভাঙবে। কিন্তু সচিনের রেকর্ড ভাঙতে পারবে কীনা, বলা শক্ত। কারণ সচিনের ঝুলিতে অসংখ্য রেকর্ড।’++

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I