নয়াদিল্লি: প্রাক্তন সতীর্থ তথা দেশের ব্যাটিং গ্রেট জাভেদ মিয়াঁদাদের সঙ্গে আধুনিক ক্রিকেটের সেরা ব্যাটসম্যান (তর্কসাপেক্ষে) বিরাট কোহলির তুলনা টানলেন আমির সোহেল। তবে কোনও ব্যাটিং পরিসংখ্যান দিয়ে নয়, বরং দলের সতীর্থদের তাতানোর নিরিখে মিয়াঁদাদের সঙ্গে কোহলির মিল খুঁজে পেলেন প্রাক্তন পাক অধিনায়ক।

জাভেদ মিয়াঁদাদের মধ্যে যেমন সতীর্থদের উদ্বুদ্ধ করার একটা অদ্ভুত ক্ষমতা ছিল। কোহলির মধ্যেও সতীর্থদের তাতানোর সেই প্রবণতা লক্ষ্য করেছেন আমির সোহেল। ইউ টিউবে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে তিনি বলেছেন, ‘একজন বড়মাপের প্লেয়ার দলে কতোটা তাঁর মহানুভবতার ছাপ রাখছেন আমার কাছে সেটাই বড় ব্যাপার। মহান প্লেয়াররা ব্যক্তিগতভাবে মহান। কিন্তু তাদের মহানুভবতা টিমের বাকিদের উপর বিশেষ প্রভাব ফেলে না। কিন্তু আমরা যদি পাকিস্তান ক্রিকেটের ইতিহাস এবং তাঁর মহানুভবতা নিয়ে কথা বলি তাহলে প্রথম নামটা অবশ্যই জাভেদ মিয়াঁদাদ।’

সোহেল আরও বলেছেন, ‘দলে মিয়াঁদাদের মহানুভবতা আজও চর্চার বিষয়। কারণ মিয়াঁদাদ তাঁর খেলার ধরনটা গোটা দেশের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছিল। ওর সঙ্গে লম্বা পার্টনারশিপ খেললে অনেককিছু শেখা যেত। ভবিষ্যতে আরও উন্নতি করার রসদ পাওয়া যেত।’ মিয়াঁদাদের সঙ্গে তুলনা কোহলির তুলনা টেনে এপ্রসঙ্গে প্রাক্তন পাক অধিনায়ক বলেন, ‘কোহলিও ঠিক একই কাজ করে। আপনি যদি খেয়াল করেন তাহলে দেখবেন কোহলির সতীর্থরা তাঁকে আবর্তিত করে উন্নতি করার চেষ্টা করে আর সেজন্যই কোহলি একজন মহান ক্রিকেটারের তকমা পাবেন।’

উল্লেখ্য, দেশের হয়ে ১২৪টি টেস্ট ও ২৩৩টি ওয়ান-ডে খেলা দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান মিয়াঁদাদের ঝুলিতে রয়েছে যথাক্রমে ৮,৮৩২ রান এবং ৭,৩৮১ রান। অন্যদিকে দেশের হয়ে ৮৬টি টেস্ট, ২৪৮টি ওয়ান-ডে এবং ৮২টি টি২০ ম্যাচ খেলা ৩১ বছরের কোহলির ঝুলিতে ইতিমধ্যেই ৭০টি আন্তর্জাতিক শতরান। টেস্ট, ওয়ান-ডে এবং টি২০ ফর্ম্যাটে কোহলির সংগ্রহ যথাক্রমে ৭,২৪০ রান, ১১, ৮৬৭ রান এবং ২,৭৯৪ রান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.